
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বড় পরিসরে প্রবাসীদের ভোটে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাইলে প্রক্সি ভোটের বিকল্প নেই বলে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নির্বাচন ভবনে ওআইসিভুক্ত দেশেগুলোর বাংলাদেশ মিশন প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার সুহাদা উসমান জানান, বাংলাদেশের চলমান নির্বাচন ব্যবস্থাসহ সকল সংস্কারে সমর্থন আছে দেশটির।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন। এর ধারাবাহিকতায় কমিশনে আসেন ওআইসিভুক্ত ১০টি দেশের ১২ জন প্রতিনিধি।
বৈঠকে নির্বাচন ঘিরে কমিশনের কার্যক্রম, প্রস্তুতি ও বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ তুলে ধরা হয় বিদেশি প্রতিনিধিদের কাছে। সেই সঙ্গে আলোচনা হয় কীভাবে আসন্ন নির্বাচনে বাড়ানো যায় প্রবাসীদের ভোট। ৩টি বিকল্পের মধ্যে প্রক্সি ভোটিং পদ্ধতিতেই বেশি সম্ভাবনা দেখছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে চাই, তাহলে কোনো না কোনো একটা অপশন বা সব অপশনের কম্বিনেশন আমাদের নিতে হবে। আর বড় স্কেলে যদি প্রবাসীদের আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়াতে চাই তাহলে প্রক্সি ছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হচ্ছে না।’
ওআইসির কাছে সহযোগিতা চেয়েছে কমিশন। সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ জানান, অতীতে ফিরতে চায় না কমিশন।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ে, আমাদের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে, এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিংয়ে ওনাদের সহযোগিতা আমরা চেয়েছি।’
এদিকে নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পাশাপাশি সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ।
মালয়শিয়ান হাইকমিশনার সুহাদা উসমান বলেন, ‘অবশ্যই মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারসহ সকল সংস্কারকে সমর্থন করে। আমরা চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। যেখানে প্রবাসী কর্মীরাও অংশ নিতে পারবে।’
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোন প্রবাসী যেন ভোট দিতে গিয়ে আইনি বাধার সম্মুখীন না হন সে বিষয়েও সতর্ক আছে কমিশন।

বড় পরিসরে প্রবাসীদের ভোটে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাইলে প্রক্সি ভোটের বিকল্প নেই বলে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নির্বাচন ভবনে ওআইসিভুক্ত দেশেগুলোর বাংলাদেশ মিশন প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার সুহাদা উসমান জানান, বাংলাদেশের চলমান নির্বাচন ব্যবস্থাসহ সকল সংস্কারে সমর্থন আছে দেশটির।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন। এর ধারাবাহিকতায় কমিশনে আসেন ওআইসিভুক্ত ১০টি দেশের ১২ জন প্রতিনিধি।
বৈঠকে নির্বাচন ঘিরে কমিশনের কার্যক্রম, প্রস্তুতি ও বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ তুলে ধরা হয় বিদেশি প্রতিনিধিদের কাছে। সেই সঙ্গে আলোচনা হয় কীভাবে আসন্ন নির্বাচনে বাড়ানো যায় প্রবাসীদের ভোট। ৩টি বিকল্পের মধ্যে প্রক্সি ভোটিং পদ্ধতিতেই বেশি সম্ভাবনা দেখছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে চাই, তাহলে কোনো না কোনো একটা অপশন বা সব অপশনের কম্বিনেশন আমাদের নিতে হবে। আর বড় স্কেলে যদি প্রবাসীদের আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়াতে চাই তাহলে প্রক্সি ছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হচ্ছে না।’
ওআইসির কাছে সহযোগিতা চেয়েছে কমিশন। সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ জানান, অতীতে ফিরতে চায় না কমিশন।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ে, আমাদের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে, এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিংয়ে ওনাদের সহযোগিতা আমরা চেয়েছি।’
এদিকে নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পাশাপাশি সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ।
মালয়শিয়ান হাইকমিশনার সুহাদা উসমান বলেন, ‘অবশ্যই মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারসহ সকল সংস্কারকে সমর্থন করে। আমরা চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। যেখানে প্রবাসী কর্মীরাও অংশ নিতে পারবে।’
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোন প্রবাসী যেন ভোট দিতে গিয়ে আইনি বাধার সম্মুখীন না হন সে বিষয়েও সতর্ক আছে কমিশন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।