প্রতিবেদক, বিডিজেন
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ৫ নম্বর সড়কে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনে আগুন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারও (৬ ফেব্রুয়ারি) সেখানে আগুন জ্বলছিল। ‘নিরাপত্তা না থাকায়’ সেই আগুন নেভাতে যায়নি ফায়ার সার্ভিস। ভবনটি থেকে যে যেভাবে পারছে সেখানে থাকা জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যও সেখানে নেই।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর সেখানে আগুন দেওয়া হয় বলে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর সুধা সদনে আগুন দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা কন্ট্রোল রুমের মবিলাইজিং অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বলেন, ‘রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুধা সদনে আগুনের খবর পাই আমরা। আমাদের নিরাপত্তা ছিল না। তাই সুধা সদনে আগুন নেভাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি।’
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সুধা সদনে গিয়ে দেখা যায়,, ভবনের দোতলায় আগুন জ্বলছে। বাড়িটির সামনে পড়ে আছে ফ্রিজ, খাট, ওয়ারড্রব, সোফাসহ নানা সামগ্রী। নিচতলা থেকে চারতলার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে আগুন ও ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে। কোথাও কোথাও টাইলস খুলে ফেলা হয়েছে। পোড়া গন্ধ চারদিকে।
সুধা সদনের নিচ তলার কক্ষ সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তোশক, লেপ এসব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কাচের টুকরো পরে আছে অনেক স্থানে। বিভিন্ন তলার জানালার কাচগুলো পরে যাচ্ছে।
বাড়িটির সামনে এখন উৎসুক কয়েকশ মানুষের ভিড়। কেউ কেউ যেসব অক্ষত জিনিসপত্র আছে সেগুলো নিয়ে যাচ্ছে।
ওই এলাকায় দায়িত্বরত ধানমন্ডি সোসাইটির নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, রাত সাড়ে ১০টার পর ১০ থেকে ১২ জন ছেলে এসে সুধা সদনে আগুন দেয়। আগুন ভবনটিতে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লোকেরা এসে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
২০২৪ সালেন ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো অনলাইনে শেখ হাসিনার ভাষণ প্রচারের ঘোষণা দেয় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। বলা হয়, ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজ থেকে রাত ৯টায় শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচার করা হবে। এরপরই নতুন করে শুরু হয় উত্তেজনা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।
এর আগে বুধবার বিকেলে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য শরিফ ওসমান হাদি। সন্ধ্যা ৭টার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আজ (বুধবার) রাতে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।’
এরপর রাত ৮টার দিকে একদল বিক্ষোভকারী ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা বঙ্গবন্ধু ভবনের ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। পরে ওই ভবনে আগুন দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে এক্সকাভেটর ও ক্রেন দিয়ে ভবনটি ভাঙা শুরু হয়।
আরও পড়ুন
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ৫ নম্বর সড়কে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনে আগুন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারও (৬ ফেব্রুয়ারি) সেখানে আগুন জ্বলছিল। ‘নিরাপত্তা না থাকায়’ সেই আগুন নেভাতে যায়নি ফায়ার সার্ভিস। ভবনটি থেকে যে যেভাবে পারছে সেখানে থাকা জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যও সেখানে নেই।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর সেখানে আগুন দেওয়া হয় বলে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর সুধা সদনে আগুন দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা কন্ট্রোল রুমের মবিলাইজিং অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বলেন, ‘রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুধা সদনে আগুনের খবর পাই আমরা। আমাদের নিরাপত্তা ছিল না। তাই সুধা সদনে আগুন নেভাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি।’
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সুধা সদনে গিয়ে দেখা যায়,, ভবনের দোতলায় আগুন জ্বলছে। বাড়িটির সামনে পড়ে আছে ফ্রিজ, খাট, ওয়ারড্রব, সোফাসহ নানা সামগ্রী। নিচতলা থেকে চারতলার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে আগুন ও ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে। কোথাও কোথাও টাইলস খুলে ফেলা হয়েছে। পোড়া গন্ধ চারদিকে।
সুধা সদনের নিচ তলার কক্ষ সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তোশক, লেপ এসব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কাচের টুকরো পরে আছে অনেক স্থানে। বিভিন্ন তলার জানালার কাচগুলো পরে যাচ্ছে।
বাড়িটির সামনে এখন উৎসুক কয়েকশ মানুষের ভিড়। কেউ কেউ যেসব অক্ষত জিনিসপত্র আছে সেগুলো নিয়ে যাচ্ছে।
ওই এলাকায় দায়িত্বরত ধানমন্ডি সোসাইটির নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, রাত সাড়ে ১০টার পর ১০ থেকে ১২ জন ছেলে এসে সুধা সদনে আগুন দেয়। আগুন ভবনটিতে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লোকেরা এসে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
২০২৪ সালেন ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো অনলাইনে শেখ হাসিনার ভাষণ প্রচারের ঘোষণা দেয় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। বলা হয়, ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজ থেকে রাত ৯টায় শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচার করা হবে। এরপরই নতুন করে শুরু হয় উত্তেজনা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।
এর আগে বুধবার বিকেলে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য শরিফ ওসমান হাদি। সন্ধ্যা ৭টার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আজ (বুধবার) রাতে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।’
এরপর রাত ৮টার দিকে একদল বিক্ষোভকারী ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা বঙ্গবন্ধু ভবনের ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। পরে ওই ভবনে আগুন দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে এক্সকাভেটর ও ক্রেন দিয়ে ভবনটি ভাঙা শুরু হয়।
আরও পড়ুন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী, শিশুসহ অটোরিকশার যাত্রী ৬ জন দগ্ধ হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে চৌমুহনী পৌরসভার কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসাতেও হামলা হয়েছে।
সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ ইসলামি উগ্রপন্থীদের উত্থান নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।