
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের ভবনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত, নিহত ও নিখোঁজ শিক্ষার্থীসহ অন্যদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে ঠিকানাসহ তালিকা প্রস্তুত করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) এই কমিটি গঠন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন আজ বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি গঠনের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। ফেসবুক পেজটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজেরই বলে নিশ্চিত করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন।
ফেসবুক পেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিয়াবাড়ির স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিদ্যালয় ভবনে ২১ জুলাই (সোমবার) বেলা ১টা ১২ মিনিটের সময় আকস্মিকভাবে বিমানবাহিনীর একটি বিমান ভূপাতিত হয়। ঘটনাস্থলে অনেক কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক আহত ও নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত, নিহত, নিখোঁজ শিক্ষার্থী ও অন্যদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে ঠিকানাসহ তালিকা প্রস্তুত করার জন্য কর্মকর্তা, অনুষদ সদস্য, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হলো। কমিটি কার্য সম্পন্ন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদান করবে।
কমিটির সভাপতি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন মো. মাসুদ আলম (উপাধ্যক্ষ-প্রশাসন), খাদিজা আক্তার (প্রধান শিক্ষিক), লুৎফুন্নেসা লোপা (কো-অর্ডিনেটর), মনিরুজ্জামান মোল্লা (অভিভাবক), মারুফ বিন জিয়াউর রহমান (শিক্ষার্থী) ও মো. তাসনিম ভূঁইয়া (শিক্ষার্থী)।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তির সংখ্যা অন্তত ১৬৫। অগ্নিদগ্ধ হয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন, তাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাজধানী ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের ভবনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত, নিহত ও নিখোঁজ শিক্ষার্থীসহ অন্যদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে ঠিকানাসহ তালিকা প্রস্তুত করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) এই কমিটি গঠন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন আজ বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি গঠনের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। ফেসবুক পেজটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজেরই বলে নিশ্চিত করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন।
ফেসবুক পেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিয়াবাড়ির স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিদ্যালয় ভবনে ২১ জুলাই (সোমবার) বেলা ১টা ১২ মিনিটের সময় আকস্মিকভাবে বিমানবাহিনীর একটি বিমান ভূপাতিত হয়। ঘটনাস্থলে অনেক কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক আহত ও নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত, নিহত, নিখোঁজ শিক্ষার্থী ও অন্যদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করে ঠিকানাসহ তালিকা প্রস্তুত করার জন্য কর্মকর্তা, অনুষদ সদস্য, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হলো। কমিটি কার্য সম্পন্ন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদান করবে।
কমিটির সভাপতি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন মো. মাসুদ আলম (উপাধ্যক্ষ-প্রশাসন), খাদিজা আক্তার (প্রধান শিক্ষিক), লুৎফুন্নেসা লোপা (কো-অর্ডিনেটর), মনিরুজ্জামান মোল্লা (অভিভাবক), মারুফ বিন জিয়াউর রহমান (শিক্ষার্থী) ও মো. তাসনিম ভূঁইয়া (শিক্ষার্থী)।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তির সংখ্যা অন্তত ১৬৫। অগ্নিদগ্ধ হয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন, তাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নিহতদের মরদেহ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে উটের সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।