
বাসস, ঢাকা

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য দুই বিচারপতির নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি হচ্ছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
দুই বিচারপতি নাম প্রস্তাব করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফায়েত হোসেনের কার্যালয়। আজ-কালের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘সরকারের যে নির্বাচনমুখী প্রক্রিয়া গ্রহণ করার যে কাজ সেটি শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে বলতে পারেন। কারণ আমাদের নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য যে সার্চ কমিটি, সেটি গঠন করা হয়ে গেছে। আমি যতটুকু জানি, এই প্রজ্ঞাপনটায় আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সিগনেচার করে দিলেই আপনারা জানতে পারবেন। হয়ত উনি করেছেনও। আজকে কালকের মধ্যে জেনে যাবেন।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিতে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটির বিধান রয়েছে।
সে অনুযায়ী সার্চ কমিটির অন্য সদস্য হবেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুই বিশিষ্ট নাগরিক, যাদের একজন অবশ্যই নারী হবেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য দুই বিচারপতির নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি হচ্ছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
দুই বিচারপতি নাম প্রস্তাব করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফায়েত হোসেনের কার্যালয়। আজ-কালের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘সরকারের যে নির্বাচনমুখী প্রক্রিয়া গ্রহণ করার যে কাজ সেটি শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে বলতে পারেন। কারণ আমাদের নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য যে সার্চ কমিটি, সেটি গঠন করা হয়ে গেছে। আমি যতটুকু জানি, এই প্রজ্ঞাপনটায় আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সিগনেচার করে দিলেই আপনারা জানতে পারবেন। হয়ত উনি করেছেনও। আজকে কালকের মধ্যে জেনে যাবেন।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিতে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটির বিধান রয়েছে।
সে অনুযায়ী সার্চ কমিটির অন্য সদস্য হবেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুই বিশিষ্ট নাগরিক, যাদের একজন অবশ্যই নারী হবেন।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”