

প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম। চলতি বছর এই নিয়ে টানা ৬ বারে ১১ হাজার ৫২৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম। এখন ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে ক্রেতাদের ভরিপ্রতি দেড় লাখ টাকা গুনতে হবে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে সোনার নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
এই দফায় ২২ ক্যারেটের ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে দিতে হবে ১ লাখ ২২ হাজার ৫৭৭ টাকা।
তবে সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির প্রভাবে বিশ্বে সোনার বাজারে উর্ধ্বমুখী। এর প্রভাবে দেশের বাজারেও সোনার দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম। চলতি বছর এই নিয়ে টানা ৬ বারে ১১ হাজার ৫২৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম। এখন ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে ক্রেতাদের ভরিপ্রতি দেড় লাখ টাকা গুনতে হবে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে সোনার নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
এই দফায় ২২ ক্যারেটের ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে দিতে হবে ১ লাখ ২২ হাজার ৫৭৭ টাকা।
তবে সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির প্রভাবে বিশ্বে সোনার বাজারে উর্ধ্বমুখী। এর প্রভাবে দেশের বাজারেও সোনার দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
বেবিচক জানিয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ, দাম্মাম, দোহা ও কুয়েত।
আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৫টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পোস্টে বলা হয়, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই সিদ্ধান্ত গত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ ব্যাখ্যা করে দূতাবাস বলেছে, ‘যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।