
বিডিজেন ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় রমজান মুন্সী (৪০) নামের এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসীর বস্তাবন্দী হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের ৫০০ গজ উত্তরে শ্রীনগর খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে গত সোমবার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রমজান। নিহত রমজান উপজেলার শ্যামশিদ্দি ইউনিয়নের গাদীঘাট গ্রামের সিরাজ মুন্সীর ছেলে। সেপ্টেম্বর মাসে রমজান ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে শ্রীনগর খালে বস্তাবন্দী কিছু একটা ভাসছিল। স্থানীয় লোকজন কাছে যেতেই দেখতে পান বস্তাবন্দী একটি লাশ পানিতে ভাসছে। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে রমজানের স্বজনেরাও লাশটি দেখতে আসেন। পরে এ লাশটি রমজানের লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা। লাশটির হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহত প্রবাসীর স্বজনেরা জানান, গত সোমবার সকালে বাড়ি ও জমিজমার কাগজপত্র ঠিক করতে বাড়ি থেকে বের হন রমজান। এরপর সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও তিনি ফিরে আসেননি। তার মুঠোফোনও বন্ধ পান স্বজনেরা। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রাতে শ্রীনগর থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রমজানের স্ত্রী নাজমা বেগম।
নিহত প্ররবাসী স্ত্রী নাজমা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল ভোরে সিঙ্গাপুরে চলে যাওয়ার কথা ছিল রমজানের। বাড়ির কাগজপত্র নিয়ে সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বলে ছিলেন শ্রীনগর বাজারে যাবেন। সেখানে একজনকে কাগজপত্র দেখিয়ে চলে আসবেন। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ওনাকে সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছি। আজকে ওনার লাশ পেয়েছি। স্বামীর হত্যার বিচার চাই।’
নিহত প্রবাসীর চাচাতো ভাই আদিল আহমেদ বলেন, রমজান খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার সঙ্গে কারও দ্বন্দ্বও ছিল না। তবে তার লাশ দেখে মনে হয়েছে তাকে খুব কষ্ট দিয়ে মারা হয়েছে। যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে, সেই অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান আদিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম উদ্দিন চৌধুরী জানান, রমজানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কারা, কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, বিষয়টির তদন্ত চলছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
সূত্র: প্রথম আলো

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় রমজান মুন্সী (৪০) নামের এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসীর বস্তাবন্দী হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের ৫০০ গজ উত্তরে শ্রীনগর খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে গত সোমবার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রমজান। নিহত রমজান উপজেলার শ্যামশিদ্দি ইউনিয়নের গাদীঘাট গ্রামের সিরাজ মুন্সীর ছেলে। সেপ্টেম্বর মাসে রমজান ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে শ্রীনগর খালে বস্তাবন্দী কিছু একটা ভাসছিল। স্থানীয় লোকজন কাছে যেতেই দেখতে পান বস্তাবন্দী একটি লাশ পানিতে ভাসছে। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে রমজানের স্বজনেরাও লাশটি দেখতে আসেন। পরে এ লাশটি রমজানের লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা। লাশটির হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহত প্রবাসীর স্বজনেরা জানান, গত সোমবার সকালে বাড়ি ও জমিজমার কাগজপত্র ঠিক করতে বাড়ি থেকে বের হন রমজান। এরপর সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও তিনি ফিরে আসেননি। তার মুঠোফোনও বন্ধ পান স্বজনেরা। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রাতে শ্রীনগর থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রমজানের স্ত্রী নাজমা বেগম।
নিহত প্ররবাসী স্ত্রী নাজমা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল ভোরে সিঙ্গাপুরে চলে যাওয়ার কথা ছিল রমজানের। বাড়ির কাগজপত্র নিয়ে সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বলে ছিলেন শ্রীনগর বাজারে যাবেন। সেখানে একজনকে কাগজপত্র দেখিয়ে চলে আসবেন। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ওনাকে সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছি। আজকে ওনার লাশ পেয়েছি। স্বামীর হত্যার বিচার চাই।’
নিহত প্রবাসীর চাচাতো ভাই আদিল আহমেদ বলেন, রমজান খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার সঙ্গে কারও দ্বন্দ্বও ছিল না। তবে তার লাশ দেখে মনে হয়েছে তাকে খুব কষ্ট দিয়ে মারা হয়েছে। যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে, সেই অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান আদিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম উদ্দিন চৌধুরী জানান, রমজানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কারা, কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, বিষয়টির তদন্ত চলছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
সূত্র: প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।