
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে বাড়ি ফেরার পথে ২ নারীর ওপর হামলা এবং ১ জনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
খবর ডেইলি স্টার বাংলার।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) চুনারুঘাট থানায় মামলার পর ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার পারভেজ মিয়া (২৫) অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, হামলার শিকার ১৭ ও ১৮ বছরের ২ নারী ঢাকায় একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। তাদের একজনের বিয়ের জন্য গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) তারা বাড়ি ফিরছিলেন। বাস থেকে নেমে নবীগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে যাওয়ার জন্য একটি অটোরিকশা ভাড়া করেন। যাত্রীদের নিষেধ সত্ত্বেও অটোরিকশাচালক পথে ৩ যুবককে অটোরিকশায় তোলেন। চুনারুঘাটে নিয়ে ১ জনকে সংঘষবদ্ধ ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। অপর কিশোরী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় তারা বাড়িতে পৌঁছায়।
শনিবার চুনারুঘাট থানায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নারীর মা।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অটোরিকশা চালককে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা

ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে বাড়ি ফেরার পথে ২ নারীর ওপর হামলা এবং ১ জনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
খবর ডেইলি স্টার বাংলার।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) চুনারুঘাট থানায় মামলার পর ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার পারভেজ মিয়া (২৫) অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, হামলার শিকার ১৭ ও ১৮ বছরের ২ নারী ঢাকায় একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। তাদের একজনের বিয়ের জন্য গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) তারা বাড়ি ফিরছিলেন। বাস থেকে নেমে নবীগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে যাওয়ার জন্য একটি অটোরিকশা ভাড়া করেন। যাত্রীদের নিষেধ সত্ত্বেও অটোরিকশাচালক পথে ৩ যুবককে অটোরিকশায় তোলেন। চুনারুঘাটে নিয়ে ১ জনকে সংঘষবদ্ধ ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। অপর কিশোরী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় তারা বাড়িতে পৌঁছায়।
শনিবার চুনারুঘাট থানায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নারীর মা।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অটোরিকশা চালককে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি