
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ‘মাইনাস টু’ নিয়ে সরকারের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের আলোচনা কখনো হয়নি। ভবিষ্যতেও এর সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার মাইনাস টু কী জিনিস, এটা জানে না এবং মাইনাস টু নিয়ে আমাদের সরকারের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের আলোচনা কখনো হয়নি। ভবিষ্যতেও সম্ভাবনা নেই।’
জুলাই হত্যকাণ্ডের বিচার এই মুহূর্তে সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানান আজাদ মজুমদার। তিনি বলেন, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সংলাপ চলছে। ইতিমধ্যে (৫ অক্টোবর) কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৯ অক্টোবর) গণফোরামসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপ হবে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব, সুচিস্মিতা তিথি ও নাঈম আলী।

অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ‘মাইনাস টু’ নিয়ে সরকারের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের আলোচনা কখনো হয়নি। ভবিষ্যতেও এর সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার মাইনাস টু কী জিনিস, এটা জানে না এবং মাইনাস টু নিয়ে আমাদের সরকারের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের আলোচনা কখনো হয়নি। ভবিষ্যতেও সম্ভাবনা নেই।’
জুলাই হত্যকাণ্ডের বিচার এই মুহূর্তে সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানান আজাদ মজুমদার। তিনি বলেন, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সংলাপ চলছে। ইতিমধ্যে (৫ অক্টোবর) কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৯ অক্টোবর) গণফোরামসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপ হবে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব, সুচিস্মিতা তিথি ও নাঈম আলী।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি—দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য নারী ও তরুণদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী কাতারকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় শ্রমবাজার হিসেবেও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ৪ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাতারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অবদান রাখছেন।