
প্রতিবেদক, বিডিজেন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আখতার হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ পেয়েছে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, কমিশনের গঠিত তদন্ত দল সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড তদন্ত করবে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৭টি আসনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মাত্র ৭টি আসনে জয়ী হয়।
নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। বিরোধীরা এই নির্বাচনকে ‘নিশি রাতের নির্বাচন’ বলে আখ্যায়িত করে। অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের আগের রাতে বেশির ভাগ ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আখতার হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ পেয়েছে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, কমিশনের গঠিত তদন্ত দল সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড তদন্ত করবে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৭টি আসনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মাত্র ৭টি আসনে জয়ী হয়।
নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। বিরোধীরা এই নির্বাচনকে ‘নিশি রাতের নির্বাচন’ বলে আখ্যায়িত করে। অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের আগের রাতে বেশির ভাগ ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।