
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সরকারি সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ। আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকায় পৌঁছেন তিনি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।
খসড়া সূচি অনুযায়ী, আমনা বালুচ আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেবেন। মধ্যাহ্নভোজের পর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে আমনা বালুচ পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।
১৫ বছর পর দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর নৃশংসতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা, তদানীন্তন অবিভক্ত পাকিস্তানের সম্পদ বণ্টন, যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার করা, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট আবার চালু করা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিভিন্ন দিক এবারের আলোচনায় আসতে পারে।

সরকারি সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ। আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকায় পৌঁছেন তিনি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।
খসড়া সূচি অনুযায়ী, আমনা বালুচ আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেবেন। মধ্যাহ্নভোজের পর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে আমনা বালুচ পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।
১৫ বছর পর দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর নৃশংসতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা, তদানীন্তন অবিভক্ত পাকিস্তানের সম্পদ বণ্টন, যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার করা, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট আবার চালু করা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিভিন্ন দিক এবারের আলোচনায় আসতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।