
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটে উপজেলা পরিষদের সাবেক এক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আটক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের নাম মুহিবুর রহমান সুইট। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের স্থানীয় শাখার নেতা ছিলেন। এ ছাড়া, তিনি ব্যবসায়ী।
খবর আজকের পত্রিকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে সাদা পোশাকে র্যাব-৯-এর একটি দল বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের রাজাগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মুহিবুর রহমান সুইট খাজাঞ্চি ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত বছরের ৪ আগস্ট আল-হেরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী ও জামায়াত নেতা আমজদ আলীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় সুইটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

সিলেটে উপজেলা পরিষদের সাবেক এক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আটক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের নাম মুহিবুর রহমান সুইট। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের স্থানীয় শাখার নেতা ছিলেন। এ ছাড়া, তিনি ব্যবসায়ী।
খবর আজকের পত্রিকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে সাদা পোশাকে র্যাব-৯-এর একটি দল বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের রাজাগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মুহিবুর রহমান সুইট খাজাঞ্চি ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত বছরের ৪ আগস্ট আল-হেরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী ও জামায়াত নেতা আমজদ আলীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় সুইটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, সফরকালে আনোয়ার ইব্রাহীমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমবাজার সহজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, এসব হামলা এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চলমান প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।
লেবাননে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় বৈরুতের হামরা এলাকায় দিপালীর নিয়োগকর্তার (কফিল) বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হামলা চালায়। এ সময় ভবনটি ধসে পড়ে। এতে দিপালীর নিয়োগকর্তা ও তার পরিবারের সদস্য এবং দিপালীসহ মোট সাতজন নিহত হন।