
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এ ছাড়া, পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে আরও চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা হলেন-সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তাহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবিত ১০ জনের একটি তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এ এম এম নাসির উদ্দীন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে অবসরে যান তিনি। এ এম এম নাসির উদ্দীন বিসিএস ১৯৭৯ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা।

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এ ছাড়া, পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে আরও চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা হলেন-সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তাহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবিত ১০ জনের একটি তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এ এম এম নাসির উদ্দীন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে অবসরে যান তিনি। এ এম এম নাসির উদ্দীন বিসিএস ১৯৭৯ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।