
বিডিজেন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলছে, আগামী ২৯ মার্চ আরব দেশগুলোর কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। তার মানে এবার রোজা ৩০টি পূর্ণ হতে পারে। সে হিসেবে আরবের দেশগুলোতে ঈদুল ফিতর পালিত হবে আগামী ৩১ মার্চ (সোমবার)।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের মতে আগামী ২৯ মার্চ (শনিবার) শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে বিশ্বের কোথাও না কোথাও পরদিন রোববার ঈদুল ফিতর পালনের ঘোষণা আসতে পারে।
এসব দেশ থেকে ঘোষণা আসবে চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে তাঁদের চিরায়ত পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে।
জানা যায়, ২৯ মার্চ শনিবার দুপুরে মৌরিতানিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়াসহ পশ্চিম আরব বিশ্বের কিছু অংশে একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবে।
সূর্যগ্রহণ হলো একটি স্পষ্ট জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত ঘটনা, যা খালি চোখে দেখা যায়। এটি নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে যে সেই সময়ে বা তার পরবর্তীতে অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে না।
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলছে, এই বৈজ্ঞানিক ও পর্যবেক্ষণযোগ্য প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে সেই দিন চাঁদ দেখা গেছে বলে দাবি করা যৌক্তিক হবে না।

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলছে, আগামী ২৯ মার্চ আরব দেশগুলোর কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। তার মানে এবার রোজা ৩০টি পূর্ণ হতে পারে। সে হিসেবে আরবের দেশগুলোতে ঈদুল ফিতর পালিত হবে আগামী ৩১ মার্চ (সোমবার)।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের মতে আগামী ২৯ মার্চ (শনিবার) শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে বিশ্বের কোথাও না কোথাও পরদিন রোববার ঈদুল ফিতর পালনের ঘোষণা আসতে পারে।
এসব দেশ থেকে ঘোষণা আসবে চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে তাঁদের চিরায়ত পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে।
জানা যায়, ২৯ মার্চ শনিবার দুপুরে মৌরিতানিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়াসহ পশ্চিম আরব বিশ্বের কিছু অংশে একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবে।
সূর্যগ্রহণ হলো একটি স্পষ্ট জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত ঘটনা, যা খালি চোখে দেখা যায়। এটি নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে যে সেই সময়ে বা তার পরবর্তীতে অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে না।
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলছে, এই বৈজ্ঞানিক ও পর্যবেক্ষণযোগ্য প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে সেই দিন চাঁদ দেখা গেছে বলে দাবি করা যৌক্তিক হবে না।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”