
বিডিজেন ডেস্ক

সুফি দরবার, মাজার ও আখড়ায় উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, পাগল ফকিরদের হত্যা ও ওরশ মাহফিল আয়োজনে বাধা সৃষ্টির প্রতিবাদে নরসিংদীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ব সুফি সংস্থার আয়োজনে নরসিংদী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেন বিভিন্ন দরবার, মাজার ও আখড়ার ভক্তরা। কয়েক হাজার লোকের এ মানববন্ধনে নরসিংদী জেলার বিভিন্ন দরবার ও খানকার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সারাদেশে প্রায় ১০০টি মাজার ভাঙচুর, বিভিন্ন দরবারে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করছে একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী। কিন্তু প্রশাসন এ গোষ্ঠীকে থামাবার জন্য কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। সম্প্রতি দু-একজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, কোনো মাজারে কিংবা দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
কোনো মাজার ভাঙচুর না করতে ও মাজার সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
নরসিংদী জেলাতেও ৩টি মাজার ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্ব সুফি সংস্থা। তারা বলেছে, সুফিবাদ একটি শান্তিপ্রিয় ধর্ম পালনকারী গোষ্ঠীর নাম। এ নামে সুফিরা কারও বিরুদ্ধে লাঠি ধরে বদনাম নিতে চায় না। আলেম নামের জালেমরা যেভাবে বিভিন্ন স্থানে মাজার ও দরবারে হামলা ভাঙচুর করছে, তার প্রতিবাদ করতে সুফিরা যদি নেমে যায়, তা হলে আলেমরা পালানোর জায়গা পাবেন না।
সাড়ে ৫ মাসে ৪০টি মাজারে হামলার ঘটনায় ২৩ জন গ্রেফতার: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
এদিকে ১৮ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সাড়ে ৫ মাসে ৪০টি মাজার ও তার সাথে সম্পর্কিত ৪৪টি স্থাপনা ভাঙচুর ও হামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
মাজার ও দরগাহে হামলার ঘটনায় পুলিশের প্রতিবেদনের বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ পুলিশ ৪ অগাস্ট ২০২৪ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৪০টি মাজার ও তার সঙ্গে সম্পর্কিত ৪৪টি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা রিপোর্ট পেয়েছে।"
এসব স্থাপনার মধ্যে সুফি সমাধিক্ষেত্র/দরগাহ আছে।
এসব হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং, গ্রেফতার হয়েছে ২৩ জন।
প্রেস উইং জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৭টি হামলার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৭টি হামলার ঘটনা ঘটে।
শেরপুর জেলায় একই মাজারে চার দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসব হামলার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা ও ২৯টি সাধারণ ডায়রি নথিভুক্ত হয়েছে।
প্রেস উইং বলেছে, মাজারে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
এর আগে ৯ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, মাজার বা কাওয়ালীতে হামলার ঘটনায় ছাড় দেওয়া হবে না।
২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, "অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোতে যেকোনো ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।"

সুফি দরবার, মাজার ও আখড়ায় উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, পাগল ফকিরদের হত্যা ও ওরশ মাহফিল আয়োজনে বাধা সৃষ্টির প্রতিবাদে নরসিংদীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ব সুফি সংস্থার আয়োজনে নরসিংদী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেন বিভিন্ন দরবার, মাজার ও আখড়ার ভক্তরা। কয়েক হাজার লোকের এ মানববন্ধনে নরসিংদী জেলার বিভিন্ন দরবার ও খানকার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, সারাদেশে প্রায় ১০০টি মাজার ভাঙচুর, বিভিন্ন দরবারে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করছে একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী। কিন্তু প্রশাসন এ গোষ্ঠীকে থামাবার জন্য কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। সম্প্রতি দু-একজন উপদেষ্টা এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, কোনো মাজারে কিংবা দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
কোনো মাজার ভাঙচুর না করতে ও মাজার সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
নরসিংদী জেলাতেও ৩টি মাজার ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্ব সুফি সংস্থা। তারা বলেছে, সুফিবাদ একটি শান্তিপ্রিয় ধর্ম পালনকারী গোষ্ঠীর নাম। এ নামে সুফিরা কারও বিরুদ্ধে লাঠি ধরে বদনাম নিতে চায় না। আলেম নামের জালেমরা যেভাবে বিভিন্ন স্থানে মাজার ও দরবারে হামলা ভাঙচুর করছে, তার প্রতিবাদ করতে সুফিরা যদি নেমে যায়, তা হলে আলেমরা পালানোর জায়গা পাবেন না।
সাড়ে ৫ মাসে ৪০টি মাজারে হামলার ঘটনায় ২৩ জন গ্রেফতার: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
এদিকে ১৮ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সাড়ে ৫ মাসে ৪০টি মাজার ও তার সাথে সম্পর্কিত ৪৪টি স্থাপনা ভাঙচুর ও হামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
মাজার ও দরগাহে হামলার ঘটনায় পুলিশের প্রতিবেদনের বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ পুলিশ ৪ অগাস্ট ২০২৪ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৪০টি মাজার ও তার সঙ্গে সম্পর্কিত ৪৪টি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা রিপোর্ট পেয়েছে।"
এসব স্থাপনার মধ্যে সুফি সমাধিক্ষেত্র/দরগাহ আছে।
এসব হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং, গ্রেফতার হয়েছে ২৩ জন।
প্রেস উইং জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৭টি হামলার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৭টি হামলার ঘটনা ঘটে।
শেরপুর জেলায় একই মাজারে চার দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসব হামলার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা ও ২৯টি সাধারণ ডায়রি নথিভুক্ত হয়েছে।
প্রেস উইং বলেছে, মাজারে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
এর আগে ৯ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, মাজার বা কাওয়ালীতে হামলার ঘটনায় ছাড় দেওয়া হবে না।
২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, "অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোতে যেকোনো ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।"
বাংলাদেশে হস্তশিল্পের স্থানীয় বাজারের বার্ষিক আকার ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্পের বাজার ছিল প্রায় ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার। তবে বিশাল এ বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নগণ্য। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে।
ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
ইসি বার্তায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টাল ভোটের ফলাফল সংক্রান্ত নানা ধরনের বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের প্রসঙ্গে জানানো যাচ্ছে, পোস্টাল ব্যালট পেপার নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে ৪ টার পরে নিয়মিত ভোট গণনার সময় একই সঙ্গে গণনা করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ পর্যন্ত ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া, ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন।

বাংলাদেশে হস্তশিল্পের স্থানীয় বাজারের বার্ষিক আকার ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্পের বাজার ছিল প্রায় ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার। তবে বিশাল এ বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নগণ্য। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে।
১ দিন আগে
ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
১ দিন আগে