
প্রতিবেদক, বিডিজেন

২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানী ঢাকার কাফরুল এলাকায় আতিকুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসামরিক, শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ সোমবার (৩ মার্চ) তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র।
গ্রেপ্তার দেখানো অন্য ৩ জন হলেন— সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সাবেক দুই আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এ কে এম শহীদুল হক।
আজ সকালে তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. জুয়েল ইসলাম। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই বিকেলে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন বিআরটিএ অফিসের পেছনের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন আতিকুল ইসলাম। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর (২০২৪) ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রাজধানীর কাফরুল থানায় একটা হত্যা মামলা করেন। মামলায় আনিসুল হক ৪ নম্বর, সালমান এফ রহমান ৬ নম্বর, কামরুল ইসলাম ৮ নম্বর, কামাল আহমেদ মজুমদার ১০ নম্বর, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ১১ নম্বর এবং শহীদুল হক ২৭ নম্বর এজাহারনামীয় অভিযুক্ত।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের গুলিতে মারা যান আতিকুল ইসলাম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সালমান- আনিসুলসহ এই ৬ জনকে বিভিন্ন সময়ে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানী ঢাকার কাফরুল এলাকায় আতিকুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসামরিক, শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ সোমবার (৩ মার্চ) তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র।
গ্রেপ্তার দেখানো অন্য ৩ জন হলেন— সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সাবেক দুই আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এ কে এম শহীদুল হক।
আজ সকালে তাঁদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. জুয়েল ইসলাম। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই বিকেলে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন বিআরটিএ অফিসের পেছনের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন আতিকুল ইসলাম। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর (২০২৪) ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রাজধানীর কাফরুল থানায় একটা হত্যা মামলা করেন। মামলায় আনিসুল হক ৪ নম্বর, সালমান এফ রহমান ৬ নম্বর, কামরুল ইসলাম ৮ নম্বর, কামাল আহমেদ মজুমদার ১০ নম্বর, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ১১ নম্বর এবং শহীদুল হক ২৭ নম্বর এজাহারনামীয় অভিযুক্ত।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের গুলিতে মারা যান আতিকুল ইসলাম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সালমান- আনিসুলসহ এই ৬ জনকে বিভিন্ন সময়ে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।