
বিডিজেন ডেস্ক

দেশব্যাপী ইংরেজি নববর্ষ বা থার্টি ফার্স্ট নাইট উদ্যাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে সবার সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রণালয় বলেছে, আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার ক্ষতিকর ও বেআইনি।
আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার করে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই জাতীয় ক্রিয়াকলাপ বিদ্যমান শব্দ ও বায়ু দূষণের মাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতীতে নববর্ষ উদ্যাপনের সময় আতশবাজির বিকট শব্দে ভয় পেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়াও, অতিরিক্ত শব্দ শ্রবণশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস, ঘুমের ব্যাঘাত, উদ্বেগ, আগ্রাসন, উচ্চ রক্তচাপ, টিনিটাস, মাথা ঘোরা, হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মানসিক অস্থিরতা, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নববর্ষ উদ্যাপনের সময় অননুমোদিত আতশবাজি ও পটকা বিস্ফোরণ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬-এর বিধি ৭ লঙ্ঘন। এই ধরনের কর্ম একই প্রবিধানের বিধি ১৮ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হয়।
আইন অনুযায়ী, এই বিধিমালা লঙ্ঘন করলে প্রথম অপরাধের জন্য এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তী বিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

দেশব্যাপী ইংরেজি নববর্ষ বা থার্টি ফার্স্ট নাইট উদ্যাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে সবার সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রণালয় বলেছে, আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার ক্ষতিকর ও বেআইনি।
আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার করে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই জাতীয় ক্রিয়াকলাপ বিদ্যমান শব্দ ও বায়ু দূষণের মাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতীতে নববর্ষ উদ্যাপনের সময় আতশবাজির বিকট শব্দে ভয় পেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়াও, অতিরিক্ত শব্দ শ্রবণশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস, ঘুমের ব্যাঘাত, উদ্বেগ, আগ্রাসন, উচ্চ রক্তচাপ, টিনিটাস, মাথা ঘোরা, হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মানসিক অস্থিরতা, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নববর্ষ উদ্যাপনের সময় অননুমোদিত আতশবাজি ও পটকা বিস্ফোরণ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬-এর বিধি ৭ লঙ্ঘন। এই ধরনের কর্ম একই প্রবিধানের বিধি ১৮ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হয়।
আইন অনুযায়ী, এই বিধিমালা লঙ্ঘন করলে প্রথম অপরাধের জন্য এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তী বিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বিষয়ে চলমান তদন্ত-অনুসন্ধানকারী ও অন্য আমেরিকান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাস ও কনস্যুলেট নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।