বিডিজেন ডেস্ক
জনগণের বিপক্ষে কাজ করলে ৫ আগস্টের মতোই পরিণতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক কমিটির আয়োজনে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় বিএনপির কর্মশালায় ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
খবর প্রথম আলোর।
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি শীর্ষক ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় খুলনা জেলা ও মহানগর এবং বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নেতারা অংশ নেন। খুলনার কর্মশালা হয় খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে। সাতক্ষীরার কর্মশালা হয় শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে। বাগেরহাটের প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয় শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করলে পরিণতি কী হয়, আমরা ৫ আগস্ট দেখেছি। ৫ আগস্ট থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে, অনেক কিছু বোঝার আছে। জনগণ থেকে, জনগণের প্রত্যাশা থেকে দূরে চলে গেলে ৫ আগস্টের পরিণতি হবে। ৫ আগস্টের পরিণতি থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে বাইরে থাকতে হলে তাদের জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণ যদি আপনার পাশে না থাকে, তাহলে আপনি কিসের নেতা? কিসের রাজনৈতিক কর্মী? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আপনার সার্থকতা কী? দশটা মানুষ আপনাকে সালাম দেয় কেন? তাদের জন্য আপনি কাজ করেন, বিপদে-আপদে পাশে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি এমন কিছু করেন, যেটা তার মনে কষ্ট দেয়, তখন তিনি আপনার পেছনে থাকবেন না। এখন মানুষ অনেক সচেতন। মানুষ আমাদের ওপরে আস্থা রাখতে চাইছেন, অর্থাৎ বিএনপির ওপরে। এই আস্থা নষ্ট করার জন্য যদি কেউ এমন কোনো কাজ করেন, যাতে আস্থা নষ্ট হবে, তাহলে আমার পক্ষে আমাদের পক্ষে তাকে টানা সম্ভব নয়। টানব না আমি তাকে। তাকে শেল্টার দেব না। এখানে দলকে স্বার্থপর হতে হবে। কোনো নেতা-কর্মী মানুষের আস্থা নষ্ট করলে তাকে আমরা নিজের ভাবতে পারব না। বহু ঝড়ঝঞ্ঝা, অত্যাচার–নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। কাজেই আমাদের নিজের স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ বেশি দেখতে হবে। আমরা যখন খারাপ কিছু জানছি, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সমাজে যে খারাপ, যে অন্যায় করে, তার সঙ্গে আমরা সম্পর্ক রাখতে চাই না।’
মানুষ বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চায়, বিএনপির কাছে মানুষের অনেক প্রশ্ন আছে—এমন মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘সামনে নির্বাচন হলে বিএনপির সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা সরকার গঠন করার। সরকার গঠন করলে বিএনপি মানুষের জন্য, দেশের জন্য কিছু করতে পারবে বলে মানুষের আস্থা বা বিশ্বাস আছে। অনেকে অনেক কথা বলবেন, অনেকের অনেক রকম থিওরি আছে, অনেক রকম বক্তব্য আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক। আমরা সেটা আশাও করি। প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনোভাব তুলে ধরবেন। প্রত্যেকে প্রত্যেকের কথা বলবেন। এটাই গণতন্ত্রের বিউটি। কিন্তু দিন শেষে একজন বেকার জানতে চাইবেন, তার বেকারত্বের অভিশাপ ঘোচানোর জন্য আপনি কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন বা করতে চান। একজন মা–বাবা দিন শেষে জানতে চান, তার সন্তানের লেখাপড়ার বিষয়ে আপনি, বিএনপি দল হিসেবে কী পদক্ষেপ নেবে। পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইবেন, বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার সুযোগ পায়, তারা চিকিৎসাসেবার জন্য কী পদক্ষেপ নেবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিকভাবে কার সঙ্গে যাব, কাকে গ্রহণ করব, কাকে গ্রহণ করব না, কার সঙ্গে সম্পর্ক করব, কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখব না, এসব মানুষ দেখবেন; তবে মানুষ তার দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান সম্পর্কে জানতে চাইবেন। এই মুহূর্তে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল, নুন এসব জিনিসের দাম বাড়ছে। মানুষের আয় বাড়ানো বা দাম সহনশীল করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এগুলো মানুষ জানতে চান, দেখতে চান।’
৩১ দফা কর্মসূচিকে মানুষের কাছে নিতে হবে মন্তব্য করে তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের জন্য, দেশের জন্য ভালো কী করেছি, ভালো কী করতে চাই, সে কথাগুলো মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া। ৩১ দফা শুধু আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের জন্য নয়, এটা দেশ ও জনগণের জন্য। সামনে একটা নির্বাচন।
নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ৩১ দফা কর্মসূচি মানুষের কানে কানে, ঘরে ঘরে নিয়ে যেতে হবে। জনগণের কাছে যেতে হবে। এ দেশের মালিক জনগণ। দিন শেষে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা জনপ্রিয় কি জনপ্রিয় না। কাজেই জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন।’
খুলনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির খুলনা নগর শাখার আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মিডিয়া সেলের সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল প্রমুখ।
সাতক্ষীরায় বিএনপির জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশারফ হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শহিদুল আলম ও কাজী আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির জেলা শাভার যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ তারিকুল হাসান, সদস্যসচিব চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
বাগেরহাটে বিএনপির জেলা শাখার আহ্বায়ক এ টি এম আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদি আমিন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক শামীমুর রহমান, বিএনপির জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান দিপু প্রমুখ।
সূত্র: প্রথম আলো
জনগণের বিপক্ষে কাজ করলে ৫ আগস্টের মতোই পরিণতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক কমিটির আয়োজনে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় বিএনপির কর্মশালায় ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
খবর প্রথম আলোর।
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি শীর্ষক ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় খুলনা জেলা ও মহানগর এবং বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নেতারা অংশ নেন। খুলনার কর্মশালা হয় খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে। সাতক্ষীরার কর্মশালা হয় শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে। বাগেরহাটের প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয় শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করলে পরিণতি কী হয়, আমরা ৫ আগস্ট দেখেছি। ৫ আগস্ট থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে, অনেক কিছু বোঝার আছে। জনগণ থেকে, জনগণের প্রত্যাশা থেকে দূরে চলে গেলে ৫ আগস্টের পরিণতি হবে। ৫ আগস্টের পরিণতি থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে বাইরে থাকতে হলে তাদের জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণ যদি আপনার পাশে না থাকে, তাহলে আপনি কিসের নেতা? কিসের রাজনৈতিক কর্মী? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আপনার সার্থকতা কী? দশটা মানুষ আপনাকে সালাম দেয় কেন? তাদের জন্য আপনি কাজ করেন, বিপদে-আপদে পাশে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি এমন কিছু করেন, যেটা তার মনে কষ্ট দেয়, তখন তিনি আপনার পেছনে থাকবেন না। এখন মানুষ অনেক সচেতন। মানুষ আমাদের ওপরে আস্থা রাখতে চাইছেন, অর্থাৎ বিএনপির ওপরে। এই আস্থা নষ্ট করার জন্য যদি কেউ এমন কোনো কাজ করেন, যাতে আস্থা নষ্ট হবে, তাহলে আমার পক্ষে আমাদের পক্ষে তাকে টানা সম্ভব নয়। টানব না আমি তাকে। তাকে শেল্টার দেব না। এখানে দলকে স্বার্থপর হতে হবে। কোনো নেতা-কর্মী মানুষের আস্থা নষ্ট করলে তাকে আমরা নিজের ভাবতে পারব না। বহু ঝড়ঝঞ্ঝা, অত্যাচার–নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। কাজেই আমাদের নিজের স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ বেশি দেখতে হবে। আমরা যখন খারাপ কিছু জানছি, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সমাজে যে খারাপ, যে অন্যায় করে, তার সঙ্গে আমরা সম্পর্ক রাখতে চাই না।’
মানুষ বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চায়, বিএনপির কাছে মানুষের অনেক প্রশ্ন আছে—এমন মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘সামনে নির্বাচন হলে বিএনপির সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা সরকার গঠন করার। সরকার গঠন করলে বিএনপি মানুষের জন্য, দেশের জন্য কিছু করতে পারবে বলে মানুষের আস্থা বা বিশ্বাস আছে। অনেকে অনেক কথা বলবেন, অনেকের অনেক রকম থিওরি আছে, অনেক রকম বক্তব্য আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক। আমরা সেটা আশাও করি। প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনোভাব তুলে ধরবেন। প্রত্যেকে প্রত্যেকের কথা বলবেন। এটাই গণতন্ত্রের বিউটি। কিন্তু দিন শেষে একজন বেকার জানতে চাইবেন, তার বেকারত্বের অভিশাপ ঘোচানোর জন্য আপনি কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন বা করতে চান। একজন মা–বাবা দিন শেষে জানতে চান, তার সন্তানের লেখাপড়ার বিষয়ে আপনি, বিএনপি দল হিসেবে কী পদক্ষেপ নেবে। পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইবেন, বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার সুযোগ পায়, তারা চিকিৎসাসেবার জন্য কী পদক্ষেপ নেবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিকভাবে কার সঙ্গে যাব, কাকে গ্রহণ করব, কাকে গ্রহণ করব না, কার সঙ্গে সম্পর্ক করব, কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখব না, এসব মানুষ দেখবেন; তবে মানুষ তার দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান সম্পর্কে জানতে চাইবেন। এই মুহূর্তে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল, নুন এসব জিনিসের দাম বাড়ছে। মানুষের আয় বাড়ানো বা দাম সহনশীল করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এগুলো মানুষ জানতে চান, দেখতে চান।’
৩১ দফা কর্মসূচিকে মানুষের কাছে নিতে হবে মন্তব্য করে তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের জন্য, দেশের জন্য ভালো কী করেছি, ভালো কী করতে চাই, সে কথাগুলো মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া। ৩১ দফা শুধু আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের জন্য নয়, এটা দেশ ও জনগণের জন্য। সামনে একটা নির্বাচন।
নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ৩১ দফা কর্মসূচি মানুষের কানে কানে, ঘরে ঘরে নিয়ে যেতে হবে। জনগণের কাছে যেতে হবে। এ দেশের মালিক জনগণ। দিন শেষে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা জনপ্রিয় কি জনপ্রিয় না। কাজেই জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন।’
খুলনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির খুলনা নগর শাখার আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মিডিয়া সেলের সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল প্রমুখ।
সাতক্ষীরায় বিএনপির জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশারফ হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শহিদুল আলম ও কাজী আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কমিটির সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির জেলা শাভার যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ তারিকুল হাসান, সদস্যসচিব চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
বাগেরহাটে বিএনপির জেলা শাখার আহ্বায়ক এ টি এম আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদি আমিন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক শামীমুর রহমান, বিএনপির জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান দিপু প্রমুখ।
সূত্র: প্রথম আলো
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী, শিশুসহ অটোরিকশার যাত্রী ৬ জন দগ্ধ হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে চৌমুহনী পৌরসভার কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসাতেও হামলা হয়েছে।
সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ ইসলামি উগ্রপন্থীদের উত্থান নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।