
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা হলেন, লালমনিরহাটের মো. আব্দুল মালেক ও হাবিবুর রহমান, ঢাকার রহিম বাদশা, খুলনার এস কে মিনহাজুল হোসেন, নরসিংদীর মো. মেহরাজ হাসান, ফরিদপুর রিয়াজ ফকির, গাজীপুর রিপন মিয়া এবং বান্দরবানের উলহাসায় মারমা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্ক্যাম সেন্টার থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, থাইল্যান্ডে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস, থাইল্যান্ডের স্থানীয় এনজিও ‘সিভিল সোসাইটি নেটওয়ার্ক ফর ভিকটিম অ্যাসিস্ট্যান্স ইন হিউম্যান ট্রাফিকিং’সহ অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করেছে ব্র্যাক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকা মায়ে সট হয়ে তাদের জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদেশের মাটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। পরবর্তীতে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে মেহরাজ হাসান ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মকে জানিয়েছেন, ঢাকার বাসা থেকে দুবাই ও পরে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত কাজের প্রলোভনে যান। মিয়ানমারে তাকে জোরপূর্বক দেড় বছরের কনট্রাক্টে সই করতে বাধ্য করা হয়। প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফোন নম্বর সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে তাকে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেওয়া হতো। যার মধ্যে ছিল রোদে মাঠে দৌড়ানো, ২০ লিটার ওজনের পানির পাত্র বহন করা এবং দীর্ঘ সময় অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা।

রিয়াজ ফকির ও রহিম বাদশা জানিয়েছেন, প্রথমে ট্যুরিস্ট ভিসায় থাইল্যান্ডে প্রবেশের পর তাদের মায়ে সট সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়। মেহরাজ হাসানের মতো তাকেও জোরপূর্বক কাজের কনট্রাক্টে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয় এবং প্রতিনিয়ত শারীরিক ও প্রাণনাশের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।
রিপন মিয়া বলেন, মালয়েশিয়া থেকে উন্নত কাজের আশায় থাইল্যান্ডে আসার পর তাকে মিয়ানমারে আটকে রাখা হয়। তার পাসপোর্ট ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক কাজের চুক্তিতে বাধ্য করা হয়।
মিনহাজুল হোসেন জানান, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে থাইল্যান্ডে আসার পর মায়ে সট এলাকায় আটকা পড়েন। এক বছরের কন্ট্রাক্ট শেষ হওয়ার পরও তাকে মুক্তি না দিয়ে দেশে ফেরার বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ দাবি করা হয়। প্রত্যেকের নির্ধারিত কাজ ছিল মূলত ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর সংগ্রহ করা। এই টার্গেট পূরণে সামান্য ভুল বা ব্যর্থতা হলেই চলত চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার থেকে একইভাবে নিপীড়নের শিকার ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছিলেন। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সবাইকে কম্পিউটার বা ইন্টারনেটে বিদেশে চাকরির বিষয়ে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা হলেন, লালমনিরহাটের মো. আব্দুল মালেক ও হাবিবুর রহমান, ঢাকার রহিম বাদশা, খুলনার এস কে মিনহাজুল হোসেন, নরসিংদীর মো. মেহরাজ হাসান, ফরিদপুর রিয়াজ ফকির, গাজীপুর রিপন মিয়া এবং বান্দরবানের উলহাসায় মারমা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্ক্যাম সেন্টার থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, থাইল্যান্ডে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস, থাইল্যান্ডের স্থানীয় এনজিও ‘সিভিল সোসাইটি নেটওয়ার্ক ফর ভিকটিম অ্যাসিস্ট্যান্স ইন হিউম্যান ট্রাফিকিং’সহ অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করেছে ব্র্যাক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকা মায়ে সট হয়ে তাদের জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদেশের মাটিতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। পরবর্তীতে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে মেহরাজ হাসান ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মকে জানিয়েছেন, ঢাকার বাসা থেকে দুবাই ও পরে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত কাজের প্রলোভনে যান। মিয়ানমারে তাকে জোরপূর্বক দেড় বছরের কনট্রাক্টে সই করতে বাধ্য করা হয়। প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফোন নম্বর সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে তাকে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেওয়া হতো। যার মধ্যে ছিল রোদে মাঠে দৌড়ানো, ২০ লিটার ওজনের পানির পাত্র বহন করা এবং দীর্ঘ সময় অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা।

রিয়াজ ফকির ও রহিম বাদশা জানিয়েছেন, প্রথমে ট্যুরিস্ট ভিসায় থাইল্যান্ডে প্রবেশের পর তাদের মায়ে সট সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়। মেহরাজ হাসানের মতো তাকেও জোরপূর্বক কাজের কনট্রাক্টে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয় এবং প্রতিনিয়ত শারীরিক ও প্রাণনাশের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।
রিপন মিয়া বলেন, মালয়েশিয়া থেকে উন্নত কাজের আশায় থাইল্যান্ডে আসার পর তাকে মিয়ানমারে আটকে রাখা হয়। তার পাসপোর্ট ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক কাজের চুক্তিতে বাধ্য করা হয়।
মিনহাজুল হোসেন জানান, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে থাইল্যান্ডে আসার পর মায়ে সট এলাকায় আটকা পড়েন। এক বছরের কন্ট্রাক্ট শেষ হওয়ার পরও তাকে মুক্তি না দিয়ে দেশে ফেরার বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ দাবি করা হয়। প্রত্যেকের নির্ধারিত কাজ ছিল মূলত ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর সংগ্রহ করা। এই টার্গেট পূরণে সামান্য ভুল বা ব্যর্থতা হলেই চলত চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার থেকে একইভাবে নিপীড়নের শিকার ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছিলেন। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সবাইকে কম্পিউটার বা ইন্টারনেটে বিদেশে চাকরির বিষয়ে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড থেকে জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, “বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই অবস্থানে তারা অনড় আছেন। যে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তারা ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটিরও কোনো পরিবর্তন হয়নি।”
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা-সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত মূলত বহর ও অপারেশনাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ম্যানচেস্টার রুটটি বিমানের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।
অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিদের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। এর ভিত্তিতে এজেন্সিদের তালিকা করা। কিন্তু এসব না করে নতুন করে লাইসেন্স দেওয়া হলো যার ফলে এই খাতের জবাবদিহিতা আরও দুর্বল হলো।”

ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড থেকে জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
৪ ঘণ্টা আগে