
প্রতিবেদক, বিডিজেন

জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। এ বিষয়ে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে গত শনিবার (২২ মার্চ) চিঠি পাঠিয়েছে সিআইসি।
একই চিঠিতে তাঁর শ্বশুর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদেরও ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত এনবিআরের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে বলা হয়, তাদের একক বা যৌথ নামে অথবা তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত যেকোনো মেয়াদি আমানত হিসাব (এফডিআর, এসটিডিসহ), সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, লকার বা ভল্ট, সঞ্চয়পত্র বা অন্য যেকোনো ধরনের সঞ্চয় এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত হিসাব থাকলে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে হালনাগাদ বিবরণীসহ ৭ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য না দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিআইসি। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহ না করলে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং পরবর্তী সময়ে প্রতিদিনের জন্য ৫০০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করা হবে।
আরেকটি চিঠিতে বলা হয়েছে, জি এম কাদের ও তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নামে পরিচালিত যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (লিমিটেড কোম্পানি ব্যতীত) হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর স্থগিতের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করে হিসাবগুলোর সর্বশেষ স্থিতিসহ একটি পরিপালন প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। এ বিষয়ে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে গত শনিবার (২২ মার্চ) চিঠি পাঠিয়েছে সিআইসি।
একই চিঠিতে তাঁর শ্বশুর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদেরও ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত এনবিআরের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে বলা হয়, তাদের একক বা যৌথ নামে অথবা তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত যেকোনো মেয়াদি আমানত হিসাব (এফডিআর, এসটিডিসহ), সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, লকার বা ভল্ট, সঞ্চয়পত্র বা অন্য যেকোনো ধরনের সঞ্চয় এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত হিসাব থাকলে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে হালনাগাদ বিবরণীসহ ৭ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য না দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিআইসি। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহ না করলে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং পরবর্তী সময়ে প্রতিদিনের জন্য ৫০০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করা হবে।
আরেকটি চিঠিতে বলা হয়েছে, জি এম কাদের ও তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নামে পরিচালিত যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (লিমিটেড কোম্পানি ব্যতীত) হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর স্থগিতের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করে হিসাবগুলোর সর্বশেষ স্থিতিসহ একটি পরিপালন প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দূতাবাসগুলো বলেছে, আবেদনকারীকে অবশ্যই মূল এবং অপরিবর্তিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কোনো ধরনের জাল নথি বা ভুয়া তথ্য জমা দিলে তা শুধু আবেদন বাতিল করবে না, বরং ভবিষ্যতে আবেদনকারীর ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।