logo
খবর

সৌদি আরবের বন্দিদশা থেকে দেশে ফিরেছেন তিন ভাই

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
Copied!
সৌদি আরবের বন্দিদশা থেকে দেশে ফিরেছেন তিন ভাই
সৌদি আরবে ৯ মাস কারাবন্দী থাকার পর দেশে ফিরেছেন সিলেটের তিন ভাই। ছবি: প্রথম আলো

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরবে গিয়ে কারাবন্দী হওয়া সিলেটের সেই তিন ভাই দেশে ফিরেছেন। গত শনিবার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুই ভাই প্রথমে দেশে ফেরেন। আর মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে আরেক ভাই সৌদি আরব থেকে ছেড়ে আসা বিমানে করে দেশে এসে পৌঁছেছেন।

খবর প্রথম আলোর।

সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা তিন ভাই সিলেট সদর উপজেলার ইসলামগঞ্জ বাজার কালারুকা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা হলেন আবদুর রহমান, রিয়াজ উল্লাহ ও মোহাম্মদ আলী। তাঁদের মধ্যে রিয়াজ উল্লাহ মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছান।

প্রথম আলোয় গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘একসঙ্গে তিন ছেলে পাঁচ মাস ধরে সৌদি আরবে বন্দী, সিলেটে নাওয়া-খাওয়া বন্ধ মায়ের’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর তৎপর হয় সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস।

তিন ভাইয়ের দেশে ফেরার বিষয়টি মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন আবদুর রহমান নিজেই। তিনি বলেন, অনকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনায় ৯ মাস কারাবন্দী থাকার পর অবশেষে মুক্ত হয়েছেন তারা। ঋণ করে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন তারা। ঋণ শোধ করার আগেই পুলিশ সেখানে তাদের আটক করে। ৯ মাস হাজতে থাকার পর দেশে ফিরেছেন। তিন ভাইয়ের মাথায় এখনো ঋণের বোঝা। কিন্তু দেশে ফিরতে পেরে, মায়ের কাছে আসতে পারাটাকেই বড় পাওয়া হিসেবে দেখছেন তারা।

কী কারণে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল, এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুর রহমান জানান, চলতি বছরের এপ্রিলে সৌদি আরবের রিয়াদের হারা এলাকায় একটি মিছিল হয়েছিল। ওই দেশে মিছিল করা নিষেধ, কিন্তু তারা বিষয়টি জানতেন না। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে আটক করেছিল সৌদি আরবের পুলিশ। পরে তারা ৯ মাস হাজতে ছিলেন। এর মধ্যে অনেকের কাছে ঋণ করে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়েছেন। প্রথমে এক দফা এবং পরে আরেক দফা ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। তিন ভাই সৌদি আরবে বন্দী থাকায় দেশে মায়ের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। এখন তিন ভাই দেশে ফেরায় তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঋণ ও জমি বিক্রির টাকা দিয়ে তিন ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন তাদের মা মোছা. তেরাবুন বেগম। ছেলেদের সেখানে কারাবন্দী হওয়ার পর তাদের মুক্তির জন্য বিভিন্নজনের কাছে ছুটেছেন। অবশেষে তাদের মুক্তি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে তেরাবুন বেগমের মনে। তেরাবুন বলেন, ছেলেদের চিন্তায় তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। ভিন দেশে ছেলেরা বন্দী অবস্থায় কেমন দিন কাটাচ্ছেন, কী খাচ্ছেন, সে চিন্তায় তার খাওয়া-ঘুম ঠিকমতো হতো না। এখন তারা দেশে ফেরায় ভালো লাগছে। যদিও ঋণগ্রস্ত হওয়ায় কিছুটা চিন্তিত। এরপরও ছেলেরা দেশে ফিরেছে—এতেই তার শান্তি।

সূত্র: প্রথম আলো

আরও দেখুন

হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশে পাঠাতে কনস্যুলেট কাজ করছে: বাংলাদেশ দূতাবাস

হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশে পাঠাতে কনস্যুলেট কাজ করছে: বাংলাদেশ দূতাবাস

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বিষয়ে চলমান তদন্ত-অনুসন্ধানকারী ও অন্য আমেরিকান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাস ও কনস্যুলেট নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।”

৭ ঘণ্টা আগে

ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার বিচার চায় ঢাকা

ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার বিচার চায় ঢাকা

শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।

১ দিন আগে

ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বাস্তবসম্মত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বাস্তবসম্মত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।

২ দিন আগে

এসকাপে বাংলাদেশের উত্থাপিত বায়োইকোনমি রেজুলেশন গৃহীত

এসকাপে বাংলাদেশের উত্থাপিত বায়োইকোনমি রেজুলেশন গৃহীত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২ দিন আগে