

বিডিজেন ডেস্ক

শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এবং সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউসে সেদেশের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। এসময় তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে মিল্টন ডিক চলতি বছরের এপ্রিলে তার ঢাকা সফরকালে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তারা সর্বোত্তম গণতান্ত্রিক চর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বৈঠক বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতার প্রতিফলন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে উভয় দেশের গুরুত্বও এতে তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এবং সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউসে সেদেশের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) স্পিকার মিল্টন ডিকের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। এসময় তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে মিল্টন ডিক চলতি বছরের এপ্রিলে তার ঢাকা সফরকালে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তারা সর্বোত্তম গণতান্ত্রিক চর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বৈঠক বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতার প্রতিফলন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে উভয় দেশের গুরুত্বও এতে তুলে ধরা হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”