
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামে জাল টাকার নোটসহ শাহ আলম (৩৫) নামের এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছে। রোববার (২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া বাজারে সেনাবাহিনী ও লোহাগাড়া থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
গ্রেপ্তার শাহ আলম একই উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব হাজারবিঘা এলাকার ফেরদৌস আহমদের ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে ৫০০ টাকার ১০টি ও ১ হাজার টাকার ৬টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শাহ আলম ও তার স্ত্রী জান্নাত আরা মিলে জাল নোটের ব্যবসা করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেন। ২০২৩ সালেও তারা দুজন জাল নোটসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার শাহ আলমের নামে থানায় নতুন করে আরও একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হবে।
ওসি আরিফুর রহমান জানান, জাল নোট ব্যবসায়ীদের একটি চক্র আছে। শাহ আলম ও তার স্ত্রী ওই চক্রের সদস্য। ২০২৩ সালেও তারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তারা এখনো ওই চক্রের সঙ্গে আছেন এবং জাল টাকা সংগ্রহ করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কয়েক মাস আগেও শাহ আলমের স্ত্রী জান্নাত আরা জাল টাকাসহ জনতার হাতে আটক হয়। তখন পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। এখন জান্নাত আরার সন্ধান করছে পুলিশ।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামে জাল টাকার নোটসহ শাহ আলম (৩৫) নামের এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছে। রোববার (২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া বাজারে সেনাবাহিনী ও লোহাগাড়া থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খবর প্রথম আলোর।
গ্রেপ্তার শাহ আলম একই উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব হাজারবিঘা এলাকার ফেরদৌস আহমদের ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে ৫০০ টাকার ১০টি ও ১ হাজার টাকার ৬টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শাহ আলম ও তার স্ত্রী জান্নাত আরা মিলে জাল নোটের ব্যবসা করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেন। ২০২৩ সালেও তারা দুজন জাল নোটসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার শাহ আলমের নামে থানায় নতুন করে আরও একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হবে।
ওসি আরিফুর রহমান জানান, জাল নোট ব্যবসায়ীদের একটি চক্র আছে। শাহ আলম ও তার স্ত্রী ওই চক্রের সদস্য। ২০২৩ সালেও তারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তারা এখনো ওই চক্রের সঙ্গে আছেন এবং জাল টাকা সংগ্রহ করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কয়েক মাস আগেও শাহ আলমের স্ত্রী জান্নাত আরা জাল টাকাসহ জনতার হাতে আটক হয়। তখন পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। এখন জান্নাত আরার সন্ধান করছে পুলিশ।
সূত্র: প্রথম আলো
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি