
সংবাদদাতা, সিলেট

সিলেটে এক প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে প্রতারকচক্র বিকাশের মাধ্যমে অর্ধ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ওই প্রবাসী বিদেশে ইমিগ্রেশনে বিপদে পড়েছেন উল্লেখ করে দুটি বিকাশ নম্বরে এই টাকা নিয়েছে প্রতারকচক্র।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার আদিত্যপুর গ্রামের সামসাদ মিয়ার ছেলে আজিজুর রহমান যুক্তরাজ্যে থাকেন। কিন্তু তাঁর নাগরিকত্বসংক্রান্ত কিছু জটিলতা আছে। এ কারণে তাঁর পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন। এই অবস্থায় ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে আজিজুর রহমানের মায়ের ফোনে ক্ষুদেবার্তা আসে এই মর্মে যে, আজিজ যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছেন, বাংলাদেশের বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা দিলে তিনি ছাড়া পাবেন। তা না হলে আজিজকে সে দেশে জেলে পাঠানো হবে।
এমন ক্ষুদেবার্তা পেয়ে আজিজের মা দেশে থাকা তাঁর অপর ছেলে আমিনুর রহমানকে টাকা পাঠাতে তাগাদা দেন। মায়ের তাগাদায় আমিনুর রহমান নাজিরবাজারে গিয়ে একটি বিকাশের দোকান থেকে প্রতারকের দেওয়া দুটি নম্বরে ৪৯ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু ঘণ্টাখানেক পর তার প্রবাসী ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হলে জানতে পারেন- সেখানে তাঁর কোনো সমস্যা হয়নি।
এরপর প্রতারণার বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন তারা এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ সুরমা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আমিনুর রহমান।
তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই ফাইমুর রহমান জানান- তদন্তকাজ কিছুটা এগিয়েছে। আশা করি অভিযুক্তরা ধরা পড়বে।

সিলেটে এক প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে প্রতারকচক্র বিকাশের মাধ্যমে অর্ধ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ওই প্রবাসী বিদেশে ইমিগ্রেশনে বিপদে পড়েছেন উল্লেখ করে দুটি বিকাশ নম্বরে এই টাকা নিয়েছে প্রতারকচক্র।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার আদিত্যপুর গ্রামের সামসাদ মিয়ার ছেলে আজিজুর রহমান যুক্তরাজ্যে থাকেন। কিন্তু তাঁর নাগরিকত্বসংক্রান্ত কিছু জটিলতা আছে। এ কারণে তাঁর পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন। এই অবস্থায় ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে আজিজুর রহমানের মায়ের ফোনে ক্ষুদেবার্তা আসে এই মর্মে যে, আজিজ যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছেন, বাংলাদেশের বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা দিলে তিনি ছাড়া পাবেন। তা না হলে আজিজকে সে দেশে জেলে পাঠানো হবে।
এমন ক্ষুদেবার্তা পেয়ে আজিজের মা দেশে থাকা তাঁর অপর ছেলে আমিনুর রহমানকে টাকা পাঠাতে তাগাদা দেন। মায়ের তাগাদায় আমিনুর রহমান নাজিরবাজারে গিয়ে একটি বিকাশের দোকান থেকে প্রতারকের দেওয়া দুটি নম্বরে ৪৯ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু ঘণ্টাখানেক পর তার প্রবাসী ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হলে জানতে পারেন- সেখানে তাঁর কোনো সমস্যা হয়নি।
এরপর প্রতারণার বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন তারা এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ সুরমা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আমিনুর রহমান।
তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই ফাইমুর রহমান জানান- তদন্তকাজ কিছুটা এগিয়েছে। আশা করি অভিযুক্তরা ধরা পড়বে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।