
সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম

বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ থাকায় এ বছর এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের আওতায় ৫ জেলার ১১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, নকল প্রতিরোধ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ২ ঘণ্টার জন্য ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।
বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সারা দেশে শুরু হচ্ছে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন ৫ জেলায় মোট ১১৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। চট্টগ্রাম বোর্ডে এ বছর সব মিলিয়ে ১ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি।
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে মাস্ক পরে আসা বাধ্যতামূলক। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে অন্তত ৩-৪ বাক্স অতিরিক্ত মাস্ক রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্র সচিবদের প্রতিটি কেন্দ্রে স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে মশার ওষুধ ছিটানো হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল প্রতিরোধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নগরের সব পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে থেকে শেষ হওয়ার পরবর্তী ১ ঘণ্টা পর্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্ধারিত এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ৩ পার্বত্য জেলার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৯টি, কক্সবাজারে ১৭টি, বান্দরবানে ৮টি এবং খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে ১০টি করে কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪ জন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দিয়েছিল।
এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় মোট পরীক্ষার্থী আছে ৭১ হাজার ৯৪৭ জন। চট্টগ্রাম নগরে এবার পরীক্ষার্থী ৪৮ হাজার ৪৮০ জন। অন্যদিকে কক্সবাজারে ১২ হাজার ৮৪৪, রাঙামাটিতে ৫ হাজার ৫৮২, বান্দরবানে ৩ হাজার ৮৭৮ ও খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ১২১ জন। চট্টগ্রাম নগরে চট্টগ্রাম কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজসহ মোট ২৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, করোনা ও ডেঙ্গু বিবেচনায় বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি কেন্দ্রেও মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রের প্রবেশমুখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ থাকায় এ বছর এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের আওতায় ৫ জেলার ১১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, নকল প্রতিরোধ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ২ ঘণ্টার জন্য ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।
বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সারা দেশে শুরু হচ্ছে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন ৫ জেলায় মোট ১১৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। চট্টগ্রাম বোর্ডে এ বছর সব মিলিয়ে ১ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি।
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে মাস্ক পরে আসা বাধ্যতামূলক। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে অন্তত ৩-৪ বাক্স অতিরিক্ত মাস্ক রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্র সচিবদের প্রতিটি কেন্দ্রে স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে মশার ওষুধ ছিটানো হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল প্রতিরোধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নগরের সব পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে থেকে শেষ হওয়ার পরবর্তী ১ ঘণ্টা পর্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্ধারিত এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ৩ পার্বত্য জেলার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৯টি, কক্সবাজারে ১৭টি, বান্দরবানে ৮টি এবং খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে ১০টি করে কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪ জন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দিয়েছিল।
এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় মোট পরীক্ষার্থী আছে ৭১ হাজার ৯৪৭ জন। চট্টগ্রাম নগরে এবার পরীক্ষার্থী ৪৮ হাজার ৪৮০ জন। অন্যদিকে কক্সবাজারে ১২ হাজার ৮৪৪, রাঙামাটিতে ৫ হাজার ৫৮২, বান্দরবানে ৩ হাজার ৮৭৮ ও খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ১২১ জন। চট্টগ্রাম নগরে চট্টগ্রাম কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজসহ মোট ২৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, করোনা ও ডেঙ্গু বিবেচনায় বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি কেন্দ্রেও মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রের প্রবেশমুখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
আসন্ন নির্বাচন শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও মানবপাচার দমনে তুরস্কে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ৪৭৮ জন অনিয়মিত অভিবাসীকে আটক এবং সন্দেহভাজন ১৯ মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড থেকে জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, উদ্ধার ব্যক্তিদের কাউকে দুবাই, মালয়েশিয়া বা সরাসরি ঢাকা থেকে থাইল্যান্ডে কম্পিউটারসংক্রান্ত ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড থেকে জোরপূর্বক মিয়ানমারে প্রবেশ করানো হয়। সেখানে তাদের ভয়াবহ নির্যাতন করে নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির কাজ করানো হতো।
৪ দিন আগে