
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ১ কাঠুরিয়া ও ৪ শ্রমিক মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। গতকাল শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল ও রাতে তাদের মুক্তি দেয় অপহরণকারী ব্যক্তিরা।
খবর প্রথম আলোর।
মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়া শ্রমিকেরা হলেন কাঠুরিয়ার আহমদ হোসেন (৫৫), কৃষিশ্রমিক মো. রহিম (৩৫), বদিউল আলম (৩০), মো. কামাল (৪০) ও মো. জুনায়েদ (৪৫)।
শনিবার সকালে কাঞ্চননগরের পাহাড় থেকে কাঠুরিয়া আহমদ হোসেনকে এবং দুপুরে হাশিমপুরের পাহাড়ি এলাকা থেকে অপর ৪ শ্রমিককে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারী ব্যক্তিরা পাহাড়ি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
কাঠুরিয়া আহমদ হোসেন ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে দাবি করেন জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিন আহমদ চৌধুরী। অপহৃত বাকি ৪ কৃষক ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পান বলে জানান উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ও বাগানমালিক নুরুন্নবী সওদাগর।
জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিন আহমদ চৌধুরী বলেন, গতকাল সকালে আহমদ হোসেনসহ দুজন কাঠুরিয়া কাঞ্চননগরের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান। এ সময় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা তাদের ধাওয়া দেন। সন্ত্রাসীরা আহমদ হোসেনকে নিয়ে গেলেও তার সঙ্গী অপর কাঠুরিয়া মুন্সি মিয়া পালিয়ে আসেন। পরে সন্ত্রাসীরা আহমদ হোসেনকে মারধর করে মুঠোফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবারের সদস্যরা অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিয়ে আহমদ হোসেনকে মুক্ত করে আনে।
অপর ৪ শ্রমিকও মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে দাবি করেন সৈয়দাবাদ গ্রামের বাগানমালিক নুরুন্নবী সওদাগর। মুঠোফোনে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ১০ জন শ্রমিক গতকাল বেলা ৩টার দিকে হাসিমপুর পাহাড়ি এলাকায় তাঁর পেয়ারা ও লেবুর বাগান পরিষ্কার করতে যান। এই সময় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা তাদের ধরতে গেলে ৬ জন শ্রমিক পালিয়ে আসে। বাকি ৪ শ্রমিককে তারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। পালিয়ে আসা শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, অপহরণকারী ব্যক্তিরা পাহাড়ি উপজাতীয় সন্ত্রাসী। তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর হবে। শ্রমিকদের একজনের মুঠোফোন থেকে সন্ত্রাসীরা ফোন করে বাগানমালিক নুরুন্নবীর কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় একজনের মাধ্যমে তিনি ৬০ হাজার টাকা পাঠানোর পর শ্রমিকদের রাত ১১টায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান আল হোসাইন বলেন, ‘শুনেছি পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা গতকাল সকালে এক কাঠুরিয়াকে অপহরণ নিয়ে গেছে। পরে আবার তাকে বিকেলে ছেড়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে বিকেলের দিকে আরও ৪ জন কৃষককে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। তাদেরও রাত ১১টার দিকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিষয়ে জানি না। এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগও করেনি।’
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ১ কাঠুরিয়া ও ৪ শ্রমিক মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। গতকাল শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল ও রাতে তাদের মুক্তি দেয় অপহরণকারী ব্যক্তিরা।
খবর প্রথম আলোর।
মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়া শ্রমিকেরা হলেন কাঠুরিয়ার আহমদ হোসেন (৫৫), কৃষিশ্রমিক মো. রহিম (৩৫), বদিউল আলম (৩০), মো. কামাল (৪০) ও মো. জুনায়েদ (৪৫)।
শনিবার সকালে কাঞ্চননগরের পাহাড় থেকে কাঠুরিয়া আহমদ হোসেনকে এবং দুপুরে হাশিমপুরের পাহাড়ি এলাকা থেকে অপর ৪ শ্রমিককে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারী ব্যক্তিরা পাহাড়ি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
কাঠুরিয়া আহমদ হোসেন ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে দাবি করেন জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিন আহমদ চৌধুরী। অপহৃত বাকি ৪ কৃষক ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পান বলে জানান উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ও বাগানমালিক নুরুন্নবী সওদাগর।
জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিন আহমদ চৌধুরী বলেন, গতকাল সকালে আহমদ হোসেনসহ দুজন কাঠুরিয়া কাঞ্চননগরের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান। এ সময় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা তাদের ধাওয়া দেন। সন্ত্রাসীরা আহমদ হোসেনকে নিয়ে গেলেও তার সঙ্গী অপর কাঠুরিয়া মুন্সি মিয়া পালিয়ে আসেন। পরে সন্ত্রাসীরা আহমদ হোসেনকে মারধর করে মুঠোফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবারের সদস্যরা অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিয়ে আহমদ হোসেনকে মুক্ত করে আনে।
অপর ৪ শ্রমিকও মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে দাবি করেন সৈয়দাবাদ গ্রামের বাগানমালিক নুরুন্নবী সওদাগর। মুঠোফোনে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ১০ জন শ্রমিক গতকাল বেলা ৩টার দিকে হাসিমপুর পাহাড়ি এলাকায় তাঁর পেয়ারা ও লেবুর বাগান পরিষ্কার করতে যান। এই সময় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা তাদের ধরতে গেলে ৬ জন শ্রমিক পালিয়ে আসে। বাকি ৪ শ্রমিককে তারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। পালিয়ে আসা শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, অপহরণকারী ব্যক্তিরা পাহাড়ি উপজাতীয় সন্ত্রাসী। তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর হবে। শ্রমিকদের একজনের মুঠোফোন থেকে সন্ত্রাসীরা ফোন করে বাগানমালিক নুরুন্নবীর কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় একজনের মাধ্যমে তিনি ৬০ হাজার টাকা পাঠানোর পর শ্রমিকদের রাত ১১টায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান আল হোসাইন বলেন, ‘শুনেছি পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা গতকাল সকালে এক কাঠুরিয়াকে অপহরণ নিয়ে গেছে। পরে আবার তাকে বিকেলে ছেড়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে বিকেলের দিকে আরও ৪ জন কৃষককে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। তাদেরও রাত ১১টার দিকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিষয়ে জানি না। এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগও করেনি।’
সূত্র: প্রথম আলো
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে যারা বাংলাদেশে ফিরতে চান, তাদের জন্য গালফ এয়ারলাইনসের সহযোগিতায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও বাহরাইন থেকে বাংলাদেশে আসা কর্মীদের ভিসা নবায়নের জন্য কর্মীর নিয়োগকর্তা, স্পন্সর বা কফিলের মাধ্যমে যোগাযোগ/ অনলাইনে আবেদন করতে হবে;
সৌদি আরবগামী ২৮ বছর বয়সী পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোহাম্মদ সাকিব জানান, মাত্র কিছুদিন আগে দেশে এসে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের আনন্দ কাটতে না কাটতেই যুদ্ধের খবর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দূতাবাস জানায়, যাদের এলএমআরএ-এর অধীন ভিসা রয়েছে, তারা ভিসা নবায়নের জন্য বাহরাইনে অবস্থানরত পরিচিত কোনো আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে এলএমআরএ-এর রেজিস্ট্রেশন সেন্টারগুলোর যেকোনো একটিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে পারবেন।