
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৫ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার এক সৌদিপ্রবাসীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ জারুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তীর আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অন্য একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্তের নাম অনিক। তার চাচাতো ভাই মাসুদ ওরফে রুবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।
দণ্ডের পাশাপাশি অনিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত অনিক কুমিল্লার কোতয়ালী থানার ধনুয়াখোলা দীঘির পশ্চিমপাড়ের আব্দুর আজিজের ছেলে।
রায় ঘোষণার আগে অনিককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মু. আবদুল নূর ভূঞা (বাবলু) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম যাওয়ার সময় অনিককে আটক করা হয়। তার ব্যাগ তল্লাশি করে ১৫ হাজার ৫০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অনিক আগে থেকেই সৌদিতে থাকতেন। বাংলাদেশে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন।
এ ঘটনায় পরদিন বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আজাদুল ইসলাম ছালাম ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সৌদি পাচারের জন্য ইয়াবা বড়িগুলো সঙ্গে রেখেছিলেন অনিক।
মামলাটি তদন্ত করে অধিদপ্তরের আরেক পরিদর্শক হোসেন মিঞা ২০২৩ সালের ৩ এপ্রিল দুজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৫ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার এক সৌদিপ্রবাসীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ জারুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তীর আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অন্য একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্তের নাম অনিক। তার চাচাতো ভাই মাসুদ ওরফে রুবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।
দণ্ডের পাশাপাশি অনিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত অনিক কুমিল্লার কোতয়ালী থানার ধনুয়াখোলা দীঘির পশ্চিমপাড়ের আব্দুর আজিজের ছেলে।
রায় ঘোষণার আগে অনিককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মু. আবদুল নূর ভূঞা (বাবলু) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম যাওয়ার সময় অনিককে আটক করা হয়। তার ব্যাগ তল্লাশি করে ১৫ হাজার ৫০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অনিক আগে থেকেই সৌদিতে থাকতেন। বাংলাদেশে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন।
এ ঘটনায় পরদিন বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আজাদুল ইসলাম ছালাম ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সৌদি পাচারের জন্য ইয়াবা বড়িগুলো সঙ্গে রেখেছিলেন অনিক।
মামলাটি তদন্ত করে অধিদপ্তরের আরেক পরিদর্শক হোসেন মিঞা ২০২৩ সালের ৩ এপ্রিল দুজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”