
প্রতিবেদক, বিডিজেন

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) তাপসী তাবাসসুমকে (ঊর্মি) চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে অসদাচরণ করায় তাঁকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির (সহকারী সচিব, সাময়িক বরখাস্তকৃত) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী 'অসদাচরণ' এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪(৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, 'অসদাচরণ' এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ও কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয় তাবাসসুমকে। আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণে আগ্রহী কি না তাও লিখিত জবাবে উল্লেখ করার জন্য নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর তাবাসসুম নিরাপত্তার কারণে ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণ সম্ভব নয় বলে লিখিত জবাব দাখিল করেন। তাঁর দাখিল করা জবাব কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৭(২)(ঘ) এর আলোকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তাবাসসুমের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী আনা 'অসদাচরণ' এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর কেন তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত বা অন্য যথোপযুক্ত গুরুদণ্ড দেওয়া হবে না সে মর্মে দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হলে তিনি পুনরায় জবাব দেন।
সবকিছু পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে কমিশন 'চাকরি হতে বরখাস্তকরণ' সূচক গুরুদণ্ড প্রদানে কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে পরামর্শ দেয়। তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার বিষয়টি রাষ্ট্রপতিও অনুমোদন করেছেন।
এর আগে তাবাসসুমকে প্রথমে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এবং পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছিল।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) তাপসী তাবাসসুমকে (ঊর্মি) চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে অসদাচরণ করায় তাঁকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির (সহকারী সচিব, সাময়িক বরখাস্তকৃত) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী 'অসদাচরণ' এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪(৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, 'অসদাচরণ' এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ও কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয় তাবাসসুমকে। আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণে আগ্রহী কি না তাও লিখিত জবাবে উল্লেখ করার জন্য নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর তাবাসসুম নিরাপত্তার কারণে ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণ সম্ভব নয় বলে লিখিত জবাব দাখিল করেন। তাঁর দাখিল করা জবাব কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৭(২)(ঘ) এর আলোকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তাবাসসুমের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী আনা 'অসদাচরণ' এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর কেন তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত বা অন্য যথোপযুক্ত গুরুদণ্ড দেওয়া হবে না সে মর্মে দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হলে তিনি পুনরায় জবাব দেন।
সবকিছু পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে কমিশন 'চাকরি হতে বরখাস্তকরণ' সূচক গুরুদণ্ড প্রদানে কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে পরামর্শ দেয়। তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার বিষয়টি রাষ্ট্রপতিও অনুমোদন করেছেন।
এর আগে তাবাসসুমকে প্রথমে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এবং পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছিল।
এবারই প্রথম যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো হয়েছে। ৫, ২ ও ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারে স্বস্তি আনতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক পণ্য ও সেবায় কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সেসব ক্ষেত্রে দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু খাতে শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।