নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরে যে কোনো পরিবর্তন সত্ত্বেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বেইজিংয়ের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। চীন প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
চীনের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে পরিবর্তনই ঘটুক না কেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে চীনের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত রয়েছে।’ তিনি বলেন, চীন আন্তরিকভাবে আশা করে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার করবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন ঘটাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশিদের ছাড়া আর কারও দেশটির উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার নেই।’
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান–এই নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি জাতি তখনই সমৃদ্ধ হবে যখন তার তরুণরা উন্নতি লাভ করবে। তিনি আরও বলেন, ‘তরুণরাই সবচেয়ে উদ্যমী ও স্বপ্নে ভরা। যুবকেরাই আশা এবং তারাই হবে ভবিষ্যতের নেতা।’ তিনি বলেন, যুবকেরা একটি উল্লেখযোগ্য সময়ে বাস করছে, এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল সম্ভাবনা উপভোগ করছে। তিনি আরও বলেন ‘আমি আশা করি, তরুণেরা চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতায় নিজেদের নিবেদিত এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বন্ধুত্বের মশাল প্রবাহিত করবে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য চীন একতরফাভাবে তার বাজার খুলে দেয়ার এবং বাংলাদেশকে ১০০ শতাংশ করযোগ্য আইটেমের ওপর শূন্য-শুল্ক হার ধার্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর অর্থ হচ্ছে, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ থেকে চীন সিরিয়াল, চিনি, ভোজ্যতেল, রাবার ও রাবার পণ্য, কাঠজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কাগজ ও কাগজের পণ্য, উল ও সূতা আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। তিনি বলেন, ‘এছাড়াও চীন বাংলাদেশ থেকে তাজা আম আমদানি করবে।’
রাষ্ট্রদূত ওয়েন বলেন, বন্যা মোকাবেলায়, চীন বাংলাদেশকে উদ্ধার সুবিধা ও সরঞ্জাম সরবরাহ করবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত দেড় মাসে, চীনা উদ্যোগগুলো আট কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং এরসঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য চীন যে আস্থা রাখে তার গুরুত্ব তুলে ধরে।
এছাড়া সাম্প্রতিক গণআন্দেলনে আহতদের চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীন জাতীয় জরুরি মেডিকেল টিম পাঠিয়েছে বলেও তিনি জানান।
আগামী বছর ‘চীন-বাংলাদেশ জনগণের পরস্পরের মধ্যে বিনিময়ের বছর’ হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ সময় দূতাবাস রাজনৈতিক বিনিময়, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, পর্যটন খাত, খেলাধুলা, জনস্বাস্থ্য, যুব, মহিলা, মিডিয়া এবং একাডেমিক বিনিময় খাতে বেশকিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
সব উদ্যাপনের লক্ষ্য আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নত করা, উভয় দেশের জনগণকে, বিশেষ করে তরুণদের আরও সুবিধা প্রদান করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী বছর চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপিত হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “চীন আমাদের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে দৃঢ় করতে, বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সুবিধাজনক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।”
অনুষ্ঠানে চীনা সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন কোম্পানির প্রদর্শনীসহ ছিল ইউনান ওভারসিজ কালচার অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টারসহ চীনের শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরে যে কোনো পরিবর্তন সত্ত্বেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বেইজিংয়ের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। চীন প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
চীনের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে পরিবর্তনই ঘটুক না কেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে চীনের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত রয়েছে।’ তিনি বলেন, চীন আন্তরিকভাবে আশা করে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার করবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন ঘটাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশিদের ছাড়া আর কারও দেশটির উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার নেই।’
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান–এই নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি জাতি তখনই সমৃদ্ধ হবে যখন তার তরুণরা উন্নতি লাভ করবে। তিনি আরও বলেন, ‘তরুণরাই সবচেয়ে উদ্যমী ও স্বপ্নে ভরা। যুবকেরাই আশা এবং তারাই হবে ভবিষ্যতের নেতা।’ তিনি বলেন, যুবকেরা একটি উল্লেখযোগ্য সময়ে বাস করছে, এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল সম্ভাবনা উপভোগ করছে। তিনি আরও বলেন ‘আমি আশা করি, তরুণেরা চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতায় নিজেদের নিবেদিত এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বন্ধুত্বের মশাল প্রবাহিত করবে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য চীন একতরফাভাবে তার বাজার খুলে দেয়ার এবং বাংলাদেশকে ১০০ শতাংশ করযোগ্য আইটেমের ওপর শূন্য-শুল্ক হার ধার্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর অর্থ হচ্ছে, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ থেকে চীন সিরিয়াল, চিনি, ভোজ্যতেল, রাবার ও রাবার পণ্য, কাঠজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কাগজ ও কাগজের পণ্য, উল ও সূতা আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। তিনি বলেন, ‘এছাড়াও চীন বাংলাদেশ থেকে তাজা আম আমদানি করবে।’
রাষ্ট্রদূত ওয়েন বলেন, বন্যা মোকাবেলায়, চীন বাংলাদেশকে উদ্ধার সুবিধা ও সরঞ্জাম সরবরাহ করবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত দেড় মাসে, চীনা উদ্যোগগুলো আট কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং এরসঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য চীন যে আস্থা রাখে তার গুরুত্ব তুলে ধরে।
এছাড়া সাম্প্রতিক গণআন্দেলনে আহতদের চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীন জাতীয় জরুরি মেডিকেল টিম পাঠিয়েছে বলেও তিনি জানান।
আগামী বছর ‘চীন-বাংলাদেশ জনগণের পরস্পরের মধ্যে বিনিময়ের বছর’ হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ সময় দূতাবাস রাজনৈতিক বিনিময়, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, পর্যটন খাত, খেলাধুলা, জনস্বাস্থ্য, যুব, মহিলা, মিডিয়া এবং একাডেমিক বিনিময় খাতে বেশকিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
সব উদ্যাপনের লক্ষ্য আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নত করা, উভয় দেশের জনগণকে, বিশেষ করে তরুণদের আরও সুবিধা প্রদান করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী বছর চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপিত হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “চীন আমাদের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে দৃঢ় করতে, বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সুবিধাজনক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।”
অনুষ্ঠানে চীনা সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন কোম্পানির প্রদর্শনীসহ ছিল ইউনান ওভারসিজ কালচার অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টারসহ চীনের শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনসহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেই একটি মহল গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বানচালে কিছু রাজনৈতিক দল অযৌক্তিক দাবি তুলে ধরছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেরও কিছু লোক চাচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার যেন ক্ষমতায় না আসতে পারে।’
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বাংলা ১৩৮৩ সনের ১২ ভাদ্র ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সামরিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেই একটি মহল গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বানচালে কিছু রাজনৈতিক দল অযৌক্তিক দাবি তুলে ধরছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেরও কিছু লোক চাচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার যেন ক্ষমতায় না আসতে পারে।’
২ দিন আগে