
বিডিজেন ডেস্ক

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার হয়েছে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী। গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পুরো দেশে অভিযান চালিয়ে এক সপ্তাহে ২২ হাজার ৩৭৩ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ২১৬ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৪ হাজার ৪ হাজার ৯৪৩ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ২১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার প্রবাসীদের অবৈধ পরিবহন সুবিধা, আশ্রয় এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার করে।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫ হাজার ৫৩৬ জন প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ৬ হাজার ৩৯৫ জনকে তাদের ট্রাভেল ডকুমেন্টের জন্য দূতাবাসে রেফার্ড করা হয়েছে। আর ১৩ হাজার ৪৭৫ জনকে নির্বাসিত করা হয়েছে।

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার হয়েছে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী। গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পুরো দেশে অভিযান চালিয়ে এক সপ্তাহে ২২ হাজার ৩৭৩ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ২১৬ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৪ হাজার ৪ হাজার ৯৪৩ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ২১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার প্রবাসীদের অবৈধ পরিবহন সুবিধা, আশ্রয় এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার করে।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫ হাজার ৫৩৬ জন প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ৬ হাজার ৩৯৫ জনকে তাদের ট্রাভেল ডকুমেন্টের জন্য দূতাবাসে রেফার্ড করা হয়েছে। আর ১৩ হাজার ৪৭৫ জনকে নির্বাসিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।