
বিডিজেন ডেস্ক

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে কারিগরি ত্রুটির কারণে আন্তঃব্যাংক লেনদেনে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে সব ধরনের ক্লিয়ারিং চেক নিষ্পত্তি ব্যাহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় পেন্ডিং চেক ক্লিয়ারেন্স বকেয়া রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনেয়ারা শিখা এই ব্যাঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভারে কারিগরি ত্রুটির কারণে চেক ক্লিয়ারিংয়ে সমস্যা হয়। ফলে গতকাল আসা চেকগুলো প্রসেস করা যায়নি।
শিখা বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারিগরি দল বর্তমানে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। তারা আশা করছেন খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে সমস্যা দেখা দেয়। এতে করে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা সব ক্লিয়ারিং চেকের সেটেলমেন্ট বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, সোমবার রাত ৯টায় সার্ভারে ত্রুটি ধরা পড়ে। রাতেই সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু রাত ২টা পর্যন্ত কোনো সমাধান না হওয়ায় সোমবারের নিষ্পত্তি হওয়া সব চেকের সেটেলমেন্ট বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস), স্বয়ংক্রিয় চেক নিকাশ ঘর (বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউজ বিএসিএইচ বা ব্যাচ) এবং বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) এই তিন প্লাটফর্মের কার্যক্রম চলে।
এসব সেবার মাধ্যমে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় বা অন্য ব্যাংকের গ্রাহককে অর্থ পরিশোধ ও স্বয়ংক্রিয় চেক নিষ্পত্তি করা হয়। বিএসিএইচের মাধ্যমে হাই ভ্যালু চেক (৫ লাখ টাকার বেশি) এবং রেগুলার ভ্যালু চেক (৫ লাখ টাকার কম) নিকাশ ব্যবস্থা নিষ্পত্তি করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে কারিগরি ত্রুটির কারণে আন্তঃব্যাংক লেনদেনে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে সব ধরনের ক্লিয়ারিং চেক নিষ্পত্তি ব্যাহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় পেন্ডিং চেক ক্লিয়ারেন্স বকেয়া রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনেয়ারা শিখা এই ব্যাঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভারে কারিগরি ত্রুটির কারণে চেক ক্লিয়ারিংয়ে সমস্যা হয়। ফলে গতকাল আসা চেকগুলো প্রসেস করা যায়নি।
শিখা বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারিগরি দল বর্তমানে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। তারা আশা করছেন খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে সমস্যা দেখা দেয়। এতে করে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা সব ক্লিয়ারিং চেকের সেটেলমেন্ট বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, সোমবার রাত ৯টায় সার্ভারে ত্রুটি ধরা পড়ে। রাতেই সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু রাত ২টা পর্যন্ত কোনো সমাধান না হওয়ায় সোমবারের নিষ্পত্তি হওয়া সব চেকের সেটেলমেন্ট বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস), স্বয়ংক্রিয় চেক নিকাশ ঘর (বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউজ বিএসিএইচ বা ব্যাচ) এবং বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) এই তিন প্লাটফর্মের কার্যক্রম চলে।
এসব সেবার মাধ্যমে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় বা অন্য ব্যাংকের গ্রাহককে অর্থ পরিশোধ ও স্বয়ংক্রিয় চেক নিষ্পত্তি করা হয়। বিএসিএইচের মাধ্যমে হাই ভ্যালু চেক (৫ লাখ টাকার বেশি) এবং রেগুলার ভ্যালু চেক (৫ লাখ টাকার কম) নিকাশ ব্যবস্থা নিষ্পত্তি করা হয়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”