
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ভারতে রপ্তানির খবরে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম বাংলাদেশে বেড়েছে। ফলে মধ্য ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশ।
২০১২ সালে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। তবে ২০১৯ সাল থেকে আবার ভারতে ইলিশ রপ্তানি শুরু হয়। তারপর থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরই ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হচ্ছে।
২০১৯ সালে ৫০০ টন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৫০ টন, ২০২১ সালে ১ হাজার ২০০ টন, ২০২২ সালে ১ হাজার ৩০০ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছিল।
২০২৩ সালে সরকার ৩ হাজার ৯৫০ টন রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে রপ্তানিকারকেরা ৫৮৭ টনের বেশি ইলিশ পাঠাতে পারেননি।
এর ধারাবাহিকতায় এ বছর সরকার ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করার অনুমতি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২১ সেপ্টেম্বর ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়। শর্ত অনুযায়ী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করা যাবে।
তবে এ বছর রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ইলিশের দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
২৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকার কারওয়ান বাজারে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৪০০ টাকা কেজি দরে। ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫০০ টাকা কেজি দরে। ১ কেজি পার হলে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
কিছু দোকানে এক কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে। দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অথচ কিছুদিন আগে ১ কেজি ইলিশের দাম ছিল ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
এক ক্রেতা বলেন, বর্তমানে ইলিশ কেনার সামর্থ্য হারাতে বসেছি। দাম এত বেশি যে, কিনতে গেলে বাজেটেই টান পড়ে।
এক মাছ বিক্রেতা বলেন, রপ্তানির কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা বেশি দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর পাশাপাশি, পরিবহন ও অন্য খরচও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
তবে ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিলে দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।
এ বিষয়ে এক মৎস্য আড়ৎদার জানান, ভারতে ইলিশ রপ্তানির ফলে দেশীয় বাজারে ইলিশের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ও বাজারে পর্যাপ্ত ইলিশের সরবরাহ নিশ্চিত করে, তবে ক্রেতাদের ভোগান্তি কিছুটা কমবে।
মৎস্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে বিগত ২০-২৫ দিন গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ বন্ধ ছিল। তাই আলিপুর, মহিপুর বন্দরে মাছ কম এসেছে। আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যে বাজারে মৎস্য সরবরাহ বাড়বে। খুব তাড়াতাড়ি ইলিশের দাম কমবে ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে চলে আসবে।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তারা। অস্বাভাবিক মূল্যে বিক্রয়ের কোনো প্রমাণ পেলে তারা আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

ভারতে রপ্তানির খবরে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম বাংলাদেশে বেড়েছে। ফলে মধ্য ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশ।
২০১২ সালে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। তবে ২০১৯ সাল থেকে আবার ভারতে ইলিশ রপ্তানি শুরু হয়। তারপর থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরই ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হচ্ছে।
২০১৯ সালে ৫০০ টন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৫০ টন, ২০২১ সালে ১ হাজার ২০০ টন, ২০২২ সালে ১ হাজার ৩০০ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছিল।
২০২৩ সালে সরকার ৩ হাজার ৯৫০ টন রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে রপ্তানিকারকেরা ৫৮৭ টনের বেশি ইলিশ পাঠাতে পারেননি।
এর ধারাবাহিকতায় এ বছর সরকার ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করার অনুমতি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২১ সেপ্টেম্বর ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়। শর্ত অনুযায়ী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করা যাবে।
তবে এ বছর রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ইলিশের দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
২৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকার কারওয়ান বাজারে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৪০০ টাকা কেজি দরে। ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫০০ টাকা কেজি দরে। ১ কেজি পার হলে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
কিছু দোকানে এক কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে। দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অথচ কিছুদিন আগে ১ কেজি ইলিশের দাম ছিল ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
এক ক্রেতা বলেন, বর্তমানে ইলিশ কেনার সামর্থ্য হারাতে বসেছি। দাম এত বেশি যে, কিনতে গেলে বাজেটেই টান পড়ে।
এক মাছ বিক্রেতা বলেন, রপ্তানির কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা বেশি দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর পাশাপাশি, পরিবহন ও অন্য খরচও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
তবে ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিলে দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।
এ বিষয়ে এক মৎস্য আড়ৎদার জানান, ভারতে ইলিশ রপ্তানির ফলে দেশীয় বাজারে ইলিশের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ও বাজারে পর্যাপ্ত ইলিশের সরবরাহ নিশ্চিত করে, তবে ক্রেতাদের ভোগান্তি কিছুটা কমবে।
মৎস্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে বিগত ২০-২৫ দিন গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ বন্ধ ছিল। তাই আলিপুর, মহিপুর বন্দরে মাছ কম এসেছে। আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যে বাজারে মৎস্য সরবরাহ বাড়বে। খুব তাড়াতাড়ি ইলিশের দাম কমবে ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে চলে আসবে।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তারা। অস্বাভাবিক মূল্যে বিক্রয়ের কোনো প্রমাণ পেলে তারা আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।