
বিডিজেন ডেস্ক

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কার্গো রপ্তানি শাখায় মনিটর স্থাপনের পাশাপাশি কার্গোবিষয়ক কল সেন্টার চালু করেছে। কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং রপ্তানিকারকদের তথ্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে বিমান কতৃপক্ষ এই উদ্যোগ নিয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন ফ্লাইটে পরিবহনকৃত পণ্যের বুকিংসংক্রান্ত তথ্য কার্গো রপ্তানি শাখায় স্থাপিত মনিটরে প্রদর্শিত হচ্ছে। এর ফলে রপ্তানিকারক/এজেন্টরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে বুকিংকৃত এবং পরিবহনকৃত পণ্যের তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে এবং ব্যবসায়িক কর্মকান্ড ত্বরান্বিত করতে পারবেন।
কার্গোবিষয়ক কল সেন্টারে (নম্বর ১৩৬৩৬ এক্সটেনশন-৬) ডায়াল করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃক পরিবহনকৃত কার্গোসংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। কার্গোবিষয়ক কল সেন্টার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চালু থাকে। বিজ্ঞপ্তি

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কার্গো রপ্তানি শাখায় মনিটর স্থাপনের পাশাপাশি কার্গোবিষয়ক কল সেন্টার চালু করেছে। কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং রপ্তানিকারকদের তথ্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে বিমান কতৃপক্ষ এই উদ্যোগ নিয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন ফ্লাইটে পরিবহনকৃত পণ্যের বুকিংসংক্রান্ত তথ্য কার্গো রপ্তানি শাখায় স্থাপিত মনিটরে প্রদর্শিত হচ্ছে। এর ফলে রপ্তানিকারক/এজেন্টরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে বুকিংকৃত এবং পরিবহনকৃত পণ্যের তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে এবং ব্যবসায়িক কর্মকান্ড ত্বরান্বিত করতে পারবেন।
কার্গোবিষয়ক কল সেন্টারে (নম্বর ১৩৬৩৬ এক্সটেনশন-৬) ডায়াল করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃক পরিবহনকৃত কার্গোসংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। কার্গোবিষয়ক কল সেন্টার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চালু থাকে। বিজ্ঞপ্তি
বেবিচক জানিয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ, দাম্মাম, দোহা ও কুয়েত।
আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৫টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পোস্টে বলা হয়, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই সিদ্ধান্ত গত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ ব্যাখ্যা করে দূতাবাস বলেছে, ‘যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।