
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেমের (আইএলএস) মানোন্নয়ন কাজের জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে রানওয়ে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই সময়ের মধ্যে রানওয়ের ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) ক্যাটাগরি-২ সম্পর্কিত কিছু রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে রানওয়ের সেন্টারলাইন লাইট, টাচডাউন জোন লাইট, রানওয়ে ১৪ ও ৩২–এর শেষপ্রান্তে স্টপওয়ে লাইটিং সিস্টেম যুক্ত করা এবং রানওয়ের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশনের নিয়মমাফিক কাজের মধ্যে একটি কাজ রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণ। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর অর্থাৎ ১৪ দিন রাত দেড়টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। এতে রানওয়ের কার্যক্রম ও ফ্লাইট অপারেশন সাময়িকভাবে বিরত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকল এয়ারলাইনস ও সংস্থাকে জানাতে ইতিমধ্যেই নোটাম জারি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই সময়ে বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত সকল এয়ারলাইনস ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’
যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইট সূচি পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশায় পাইলট খালি চোখে রানওয়ে দেখতে না পেলে নিরাপদে ফ্লাইট ওঠা–নামার জন্য ব্যবহার করা হয় আইএলএস প্রযুক্তি। এতে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায় রানওয়ে। দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বর্তমানে যে আইএলএস প্রযুক্তি আছে, এর দৃষ্টিসীমা ৬০০ মিটার। এটি ক্যাটাগরি–১ মানের। অথচ শীতে ঘন কুয়াশায় এই দৃষ্টিসীমা নেমে যায় ৫০ থেকে শূন্য মিটারে। এতে বন্ধ হয়ে যায় উড়োজাহাজ ওঠানামা।
শীত এলেই এয়ারলাইনসগুলোর উদ্বেগ বাড়ে। ঘন কুয়াশায় বা ভারী বৃষ্টিতে রানওয়ে দেখা না যাওয়ায় অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায় ফ্লাইট চলাচল। এতে শিডিউল বিপর্যয়ই শুধু নয়, যাত্রী দুর্ভোগের পাশাপাশি অন্য দেশে উড়োজাহাজ অবতরণের কারণে ব্যয় বেড়ে যায় এয়ারলাইনসগুলোর।
এয়ারলাইনস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইএলএস ক্যাটাগরি উন্নত হলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টাই ফ্লাইট ওঠা–নামা করতে পারবে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেমের (আইএলএস) মানোন্নয়ন কাজের জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে রানওয়ে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই সময়ের মধ্যে রানওয়ের ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) ক্যাটাগরি-২ সম্পর্কিত কিছু রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে রানওয়ের সেন্টারলাইন লাইট, টাচডাউন জোন লাইট, রানওয়ে ১৪ ও ৩২–এর শেষপ্রান্তে স্টপওয়ে লাইটিং সিস্টেম যুক্ত করা এবং রানওয়ের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশনের নিয়মমাফিক কাজের মধ্যে একটি কাজ রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণ। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর অর্থাৎ ১৪ দিন রাত দেড়টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। এতে রানওয়ের কার্যক্রম ও ফ্লাইট অপারেশন সাময়িকভাবে বিরত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকল এয়ারলাইনস ও সংস্থাকে জানাতে ইতিমধ্যেই নোটাম জারি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই সময়ে বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত সকল এয়ারলাইনস ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’
যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইট সূচি পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশায় পাইলট খালি চোখে রানওয়ে দেখতে না পেলে নিরাপদে ফ্লাইট ওঠা–নামার জন্য ব্যবহার করা হয় আইএলএস প্রযুক্তি। এতে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায় রানওয়ে। দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বর্তমানে যে আইএলএস প্রযুক্তি আছে, এর দৃষ্টিসীমা ৬০০ মিটার। এটি ক্যাটাগরি–১ মানের। অথচ শীতে ঘন কুয়াশায় এই দৃষ্টিসীমা নেমে যায় ৫০ থেকে শূন্য মিটারে। এতে বন্ধ হয়ে যায় উড়োজাহাজ ওঠানামা।
শীত এলেই এয়ারলাইনসগুলোর উদ্বেগ বাড়ে। ঘন কুয়াশায় বা ভারী বৃষ্টিতে রানওয়ে দেখা না যাওয়ায় অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায় ফ্লাইট চলাচল। এতে শিডিউল বিপর্যয়ই শুধু নয়, যাত্রী দুর্ভোগের পাশাপাশি অন্য দেশে উড়োজাহাজ অবতরণের কারণে ব্যয় বেড়ে যায় এয়ারলাইনসগুলোর।
এয়ারলাইনস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইএলএস ক্যাটাগরি উন্নত হলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টাই ফ্লাইট ওঠা–নামা করতে পারবে।
আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৫টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পোস্টে বলা হয়, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই সিদ্ধান্ত গত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ ব্যাখ্যা করে দূতাবাস বলেছে, ‘যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক ফোনালাপে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুললতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি এ তথ্য জানান।