logo
খবর

চট্টগ্রামে শিশুর মৃত্যুর ৬ বছর পর ৪ চিকিৎসকের বিচার শুরু

প্রতিবেদক, বিডিজেন০১ অক্টোবর ২০২৪
Copied!
চট্টগ্রামে শিশুর মৃত্যুর ৬ বছর পর ৪ চিকিৎসকের বিচার শুরু
রাফিদা খান রাইফা।

চট্টগ্রাম নগরীর বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে শিশু রাফিদা খান রাইফার মৃত্যুর মামলায় হাসপাতালটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আগামী নভম্বরে রােইফার মৃত্যুর ছয় বছর পর বিচার শুরু হতে যাচ্ছে।

গতকাল সোমবার চার্জগঠনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. কামাল হোসেন সিকদার এ আদেশ দেন। মামলার আসামি চার চিকিৎসক হলেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বিধান রায় চৌধুরী, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. দেবাশিষ সেন, ডা. শুভ্র দেব ও ম্যাক্স হাসাপাতালের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাছির উদ্দিন ভূইয়া জানান, আগামী ১২ নভেম্বর থেকে রাইফা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

গত ২৫ মার্চ দায়িত্বে অবহেলা ও বেসরকারি হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারণে রাইফার মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে ম্যাক্স হাসপাতালের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রামের পরিদর্শক আবু জাফর মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২৯ জুন নগরীর মেহেদীবাগ এলাকার ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রাইফা। এ ঘটনায় রাইফার বাবা ও চট্টগ্রামের সাংবাদিক নেতা রুবেল খান বাদী হয়ে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন। ছয় বছর পর তদন্ত শেষে ওই মামলারই বিচার শুরুর আদেশ এল।

আরও দেখুন

সৌদি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ফেরত নারীর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

সৌদি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ফেরত নারীর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি

৩৭ মিনিট আগে

প্রবাসীদের জন্য দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে: মন্ত্রী আরিফুল হক

প্রবাসীদের জন্য দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে: মন্ত্রী আরিফুল হক

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।

৮ ঘণ্টা আগে