
বিডিজেন ডেস্ক

জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান ও তাঁর স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরসহ সাতজনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
আরও যাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন-আবুল কালাম মাদবর, মো. নাজমুল বাশার খান, মোহাম্মদ বাশার, কনিকা আফরোজ ও কাজী সাদিয়া হাসান।
বুধবার (২ অক্টোবর) পাঠানো এক চিঠিতে বিএফআইইউ ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব ব্যক্তি ও তাদের কোম্পানি বা সংগঠনের নামে থাকা বিভিন্ন হিসাবের তথ্য দিতে বলেছে।
সাকিব আল হাসান দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ বছরের ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদাবর থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয় তাঁকে।
এ ছাড়া, সম্প্রতি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজির দায়ে সাকিব আল হাসানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই শেয়ারে কারসাজির জন্য শেয়ারবাজারের আলোচিত আবুল খায়ের হিরুসহ আরও ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান ও তাঁর স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরসহ সাতজনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
আরও যাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন-আবুল কালাম মাদবর, মো. নাজমুল বাশার খান, মোহাম্মদ বাশার, কনিকা আফরোজ ও কাজী সাদিয়া হাসান।
বুধবার (২ অক্টোবর) পাঠানো এক চিঠিতে বিএফআইইউ ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব ব্যক্তি ও তাদের কোম্পানি বা সংগঠনের নামে থাকা বিভিন্ন হিসাবের তথ্য দিতে বলেছে।
সাকিব আল হাসান দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ বছরের ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদাবর থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয় তাঁকে।
এ ছাড়া, সম্প্রতি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজির দায়ে সাকিব আল হাসানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই শেয়ারে কারসাজির জন্য শেয়ারবাজারের আলোচিত আবুল খায়ের হিরুসহ আরও ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও জরিমানা করা হয়েছে।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।