
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের বড় দুই বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ২০২৪ সালে এই দুই বাজারে ভালো করতে পারতে পারছে না বাংলাদেশ।
২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ। আর ইইউতে কমেছে ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
ইইউর পরিসংখ্যান কার্যালয় (ইউরোস্ট্যাট) ও যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
উল্লেখ্য, একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার। মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ১৭-১৮ শতাংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে অঞ্চল হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য ইইউ।
ইউরোস্ট্যাট ও অটেক্সার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাকের আমদানি ৫ দশমিক ২২ শতাংশ কম করেছেন ইইউর ব্যবসায়ীরা। এই সময়ে কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও মরক্কো ছাড়া শীর্ষস্থানে থাকা বাকি সাত দেশের রপ্তানি কমেছে। এর মধ্যে আছে চীন, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ভারত, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়া।
এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই—এই সাত মাসে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ তৈরি পোশাক কম আমদানি করেছেন। শীর্ষ ১০ রপ্তানিকারকের মধ্যে কম্বোডিয়া ও পাকিস্তানের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়লেও বাকিদের কমেছে। রপ্তানি কমার তালিকায় আছে চীন, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মেক্সিকো, হন্ডুরাস ও কোরিয়া।
ইইউর বাজারে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ে ১ হাজার ১১১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। ২০২৩ সালে একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ১৬৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এর মানে ২০২৪ সালে এই বাজারে রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ইইউতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশ চীন ও ভারতের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমার হার তুলনামূলক কম। ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে চীন ১ হাজার ২৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের রপ্তানি কমেছে ৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। চীন এই বাজারে শীর্ষ রপ্তানিকারক। অন্যদিকে ভারতের রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ ৪১০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৩ সালে একই সময়ে রপ্তানি হয় ৪৫৭ কোটি ডলারের পোশাক। এর মানে ২০২৪ সালে রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে এই বাজারে ৭২৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয় সর্বোচ্চ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীন শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে ৮৭৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে দেশটি। এই রপ্তানি ২০২৩ সালের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ কম। এই বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক ভিয়েতনাম ২০২৪ সালের সাত মাসে ৮০৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৩ সালের একই সময়ে তাদের রপ্তানি ছিল ৮২২ কোটি ডলারের পোশাক। অর্থাৎ ২০২১৪ সালে দেশটির রপ্তানি কমেছে দেড় শতাংশ।
কোটা আন্দোলন ও তারপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জুলাই ও আগস্ট মাসে তৈরি পোশাকে উৎপাদন ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে সাভারের আশুলিয়া ও গাজীপুরের বেশ কিছু কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এখনো কিছু কারখানা বন্ধ আছে। সব মিলিয়ে দেশে তিন মাস ধরে চলমান ঘটনার কারণে আগামী মৌসুমের ক্রয়াদেশ কমবে—এমন আশঙ্কা করছেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের বড় দুই বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ২০২৪ সালে এই দুই বাজারে ভালো করতে পারতে পারছে না বাংলাদেশ।
২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ। আর ইইউতে কমেছে ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
ইইউর পরিসংখ্যান কার্যালয় (ইউরোস্ট্যাট) ও যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
উল্লেখ্য, একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার। মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ১৭-১৮ শতাংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে অঞ্চল হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য ইইউ।
ইউরোস্ট্যাট ও অটেক্সার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাকের আমদানি ৫ দশমিক ২২ শতাংশ কম করেছেন ইইউর ব্যবসায়ীরা। এই সময়ে কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও মরক্কো ছাড়া শীর্ষস্থানে থাকা বাকি সাত দেশের রপ্তানি কমেছে। এর মধ্যে আছে চীন, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ভারত, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়া।
এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই—এই সাত মাসে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ তৈরি পোশাক কম আমদানি করেছেন। শীর্ষ ১০ রপ্তানিকারকের মধ্যে কম্বোডিয়া ও পাকিস্তানের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়লেও বাকিদের কমেছে। রপ্তানি কমার তালিকায় আছে চীন, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মেক্সিকো, হন্ডুরাস ও কোরিয়া।
ইইউর বাজারে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ে ১ হাজার ১১১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। ২০২৩ সালে একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ১৬৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এর মানে ২০২৪ সালে এই বাজারে রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ইইউতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশ চীন ও ভারতের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমার হার তুলনামূলক কম। ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে চীন ১ হাজার ২৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের রপ্তানি কমেছে ৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। চীন এই বাজারে শীর্ষ রপ্তানিকারক। অন্যদিকে ভারতের রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ ৪১০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৩ সালে একই সময়ে রপ্তানি হয় ৪৫৭ কোটি ডলারের পোশাক। এর মানে ২০২৪ সালে রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে এই বাজারে ৭২৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয় সর্বোচ্চ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীন শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে ৮৭৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে দেশটি। এই রপ্তানি ২০২৩ সালের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ কম। এই বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক ভিয়েতনাম ২০২৪ সালের সাত মাসে ৮০৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৩ সালের একই সময়ে তাদের রপ্তানি ছিল ৮২২ কোটি ডলারের পোশাক। অর্থাৎ ২০২১৪ সালে দেশটির রপ্তানি কমেছে দেড় শতাংশ।
কোটা আন্দোলন ও তারপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জুলাই ও আগস্ট মাসে তৈরি পোশাকে উৎপাদন ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে সাভারের আশুলিয়া ও গাজীপুরের বেশ কিছু কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এখনো কিছু কারখানা বন্ধ আছে। সব মিলিয়ে দেশে তিন মাস ধরে চলমান ঘটনার কারণে আগামী মৌসুমের ক্রয়াদেশ কমবে—এমন আশঙ্কা করছেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা।
বৈঠকে শ্রমবাজার খোলা ও ব্যয় কমানো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এতে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রম বাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে তারা শ্রম সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা এবং শ্রমিক শোষণ রোধে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৩টি দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা নেওয়া কিংবা অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি।