
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, বিদেশগামী কর্মীরা বিমানবন্দরের প্রতিটি পর্যায়ে সেবা পেতে একজন সহায়তাকারী পাবেন। পাশাপাশি প্রবাসীদের ভিআইপি সুবিধা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে বিশেষ লাউঞ্জ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জায়গা ঠিক করা হয়েছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা হয়েছে। মাসখানেকের মধ্যে লাউঞ্জ চালু হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সহযোগিতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে ৫ অক্টোবর শনিবার এ কথা বলেন উপদেষ্টা। প্রবাসীকল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও মালয়েশিয়ার পার্কেসোর মধ্যে সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রত্যেক কর্মীকে পার্কেসোর নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। নিবন্ধিত হয়ে কর্মীরা স্বাস্থ্যসুবিধা, সাময়িক প্রতিবন্ধী সুবিধা, স্থায়ী প্রতিবন্ধী সুবিধা, নির্ভরশীল প্রতিবন্ধী সুবিধা, মৃত্যুর পর দাফনের সুবিধা, ধারাবাহিক উপস্থিতির ভাতা ও পুনর্বাসনের সুবিধা পাবেন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১২ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৬ বাংলাদেশি কর্মী পার্কেসোর নিবন্ধন নিয়েছেন। এর মধ্যে এখন সক্রিয় নিবন্ধনকারী আছেন ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ জন। আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের ১১ হাজার ৪৩৯ কর্মী সাময়িক প্রতিবন্ধী সুবিধা পেয়েছেন। তাঁরা প্রায় দেড় কোটি মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (৩৭ কোটা টাকা) ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। স্থায়ী প্রতিবন্ধী সহায়তা পেয়েছেন ৩৬৪ জন, যার পরিমাণ ১২ লাখ ৭০ হাজার রিঙ্গিত। ১৭৫ জন দাফনের সুবিধা পেয়েছেন, যার আর্থিক মূল্য ৮ লাখ ৭০ হাজার রিঙ্গিত।
অনুষ্ঠানে আসিফ নজরুল বলেন, এ ধরনের লাউঞ্জ হলে প্রবাসীদের হয়রানি অনেকটাই কমবে। এটি প্রবাসীদের প্রতি উদারতা নয়, এটি তাঁদের প্রতি দায়বদ্ধতা। বহু আগে এটা করা উচিত ছিল।
উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ায় ১৮ হাজার কর্মী যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি, তাঁরা নতুন কর্মী নন। সব প্রক্রিয়া শেষ করেও মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রতিশ্রুতি মানেই বিষয়টা নিশ্চিত নয়। তাই এটি নিশ্চিত করতে সব ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। দূতাবাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি কার্যকরের অনুরোধ জানানো হবে। এ জন্য স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টি বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সুযোগ সীমাবদ্ধ না রেখে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। আর দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়গুলো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টি থেকে বিবেচনায় নিয়েছেন বলে মনে হয়েছে তাঁর।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য, পেশাগত নিরাপত্তা এবং কল্যাণে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সামাজিক নিরাপত্তা সংগঠন পার্কেসোর সঙ্গে সহযোগিতা স্মারকটি সই করা হয়। এতে সই করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান ও পার্কেসোর গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মেদ আজমান বিন আজিজ মোহাম্মদ।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, বিদেশগামী কর্মীরা বিমানবন্দরের প্রতিটি পর্যায়ে সেবা পেতে একজন সহায়তাকারী পাবেন। পাশাপাশি প্রবাসীদের ভিআইপি সুবিধা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে বিশেষ লাউঞ্জ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জায়গা ঠিক করা হয়েছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা হয়েছে। মাসখানেকের মধ্যে লাউঞ্জ চালু হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সহযোগিতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে ৫ অক্টোবর শনিবার এ কথা বলেন উপদেষ্টা। প্রবাসীকল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও মালয়েশিয়ার পার্কেসোর মধ্যে সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রত্যেক কর্মীকে পার্কেসোর নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। নিবন্ধিত হয়ে কর্মীরা স্বাস্থ্যসুবিধা, সাময়িক প্রতিবন্ধী সুবিধা, স্থায়ী প্রতিবন্ধী সুবিধা, নির্ভরশীল প্রতিবন্ধী সুবিধা, মৃত্যুর পর দাফনের সুবিধা, ধারাবাহিক উপস্থিতির ভাতা ও পুনর্বাসনের সুবিধা পাবেন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১২ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৬ বাংলাদেশি কর্মী পার্কেসোর নিবন্ধন নিয়েছেন। এর মধ্যে এখন সক্রিয় নিবন্ধনকারী আছেন ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ জন। আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের ১১ হাজার ৪৩৯ কর্মী সাময়িক প্রতিবন্ধী সুবিধা পেয়েছেন। তাঁরা প্রায় দেড় কোটি মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (৩৭ কোটা টাকা) ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। স্থায়ী প্রতিবন্ধী সহায়তা পেয়েছেন ৩৬৪ জন, যার পরিমাণ ১২ লাখ ৭০ হাজার রিঙ্গিত। ১৭৫ জন দাফনের সুবিধা পেয়েছেন, যার আর্থিক মূল্য ৮ লাখ ৭০ হাজার রিঙ্গিত।
অনুষ্ঠানে আসিফ নজরুল বলেন, এ ধরনের লাউঞ্জ হলে প্রবাসীদের হয়রানি অনেকটাই কমবে। এটি প্রবাসীদের প্রতি উদারতা নয়, এটি তাঁদের প্রতি দায়বদ্ধতা। বহু আগে এটা করা উচিত ছিল।
উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ায় ১৮ হাজার কর্মী যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি, তাঁরা নতুন কর্মী নন। সব প্রক্রিয়া শেষ করেও মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রতিশ্রুতি মানেই বিষয়টা নিশ্চিত নয়। তাই এটি নিশ্চিত করতে সব ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। দূতাবাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি কার্যকরের অনুরোধ জানানো হবে। এ জন্য স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টি বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সুযোগ সীমাবদ্ধ না রেখে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। আর দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়গুলো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টি থেকে বিবেচনায় নিয়েছেন বলে মনে হয়েছে তাঁর।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য, পেশাগত নিরাপত্তা এবং কল্যাণে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সামাজিক নিরাপত্তা সংগঠন পার্কেসোর সঙ্গে সহযোগিতা স্মারকটি সই করা হয়। এতে সই করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান ও পার্কেসোর গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মেদ আজমান বিন আজিজ মোহাম্মদ।
বৈঠকের একপর্যায়ে রাষ্ট্রদূত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুলাই মাসের প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন।
নুরুল হক বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ এবং সংকুচিত শ্রমবাজার মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে কর্মীর প্রেরণের লক্ষ্যে দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।”
পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ৩৪ জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।