
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আদেশ দেন। মামলাটি গত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে র্যাবের তদন্তাধীন ছিল। হাইকোর্টে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১১৩ বার পিছিয়েছে।
একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। টাস্কফোর্সকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। পরে শিশির মনির বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর র্যাব এ মামলার তদন্ত চালিয়েও প্রতিবেদন দিতে পারেনি। আদালত বলেছে, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক’। তিনি বলেন, “এখন এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার থেকে র্যাবকে সরিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টাস্কফোর্স গঠন করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ জন্য আগামী বছরের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।”
শিশির মনির বলেন, এ মামলার তদন্তে এখন আর র্যাব নেই। এই আদেশ পাওয়ার পর থেকে ছয় মাস হিসাব করা হবে। খুব শিগগির তারা আদেশ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।
এর আগে রোববার রুনির ভাই ও মামলার বাদী নওশের রোমান জানিয়েছিলেন, বাদীপক্ষে লড়তে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর ও রুনি। সে সময় সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা টিভি এবং রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন।
এই হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে এই মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মামলাটির তদন্তভার র্যাবর হাতে ছিল। এখন পর্যন্ত এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১১৩ বার পেছানো হয়েছে।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আদেশ দেন। মামলাটি গত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে র্যাবের তদন্তাধীন ছিল। হাইকোর্টে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১১৩ বার পিছিয়েছে।
একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। টাস্কফোর্সকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। পরে শিশির মনির বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর র্যাব এ মামলার তদন্ত চালিয়েও প্রতিবেদন দিতে পারেনি। আদালত বলেছে, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক’। তিনি বলেন, “এখন এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার থেকে র্যাবকে সরিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টাস্কফোর্স গঠন করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ জন্য আগামী বছরের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।”
শিশির মনির বলেন, এ মামলার তদন্তে এখন আর র্যাব নেই। এই আদেশ পাওয়ার পর থেকে ছয় মাস হিসাব করা হবে। খুব শিগগির তারা আদেশ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।
এর আগে রোববার রুনির ভাই ও মামলার বাদী নওশের রোমান জানিয়েছিলেন, বাদীপক্ষে লড়তে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর ও রুনি। সে সময় সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা টিভি এবং রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন।
এই হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে এই মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ১২ বছরের বেশি সময় ধরে মামলাটির তদন্তভার র্যাবর হাতে ছিল। এখন পর্যন্ত এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১১৩ বার পেছানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।