
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ১ হাজার ৫৮১ জন নিহতের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে গঠিত স্বাস্থ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তালিকা তৈরির কাজে সহায়তা করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি, রেড জুলাইসহ কয়েকটি সংস্থা। এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
প্রাথমিক তালিকা যাচাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই কমিটি চূড়ান্ত তালিকা দেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে।
এর আগে আন্দোলনে মোট ৭০৮ জন নিহতের তালিকা প্রকাশ করে সরকার। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ তালিকা প্রকাশ করা হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওয়েবসাইট ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।
সে সময় জানানো হয়, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তথ্য সংশোধন বা সংযোজন করার জন্য আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত এ তালিকা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ১ হাজার ৫৮১ জন নিহতের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে গঠিত স্বাস্থ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তালিকা তৈরির কাজে সহায়তা করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি, রেড জুলাইসহ কয়েকটি সংস্থা। এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
প্রাথমিক তালিকা যাচাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই কমিটি চূড়ান্ত তালিকা দেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে।
এর আগে আন্দোলনে মোট ৭০৮ জন নিহতের তালিকা প্রকাশ করে সরকার। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ তালিকা প্রকাশ করা হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওয়েবসাইট ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।
সে সময় জানানো হয়, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তথ্য সংশোধন বা সংযোজন করার জন্য আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত এ তালিকা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।