বিডিজেন ডেস্ক
আমাদের প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস ডিম। যাদের বাড়িতে ফ্রিজ নেই, তাদের ডিম সংরক্ষণে অনেক অসুবিধা হয়। রেফ্রিজারেটর ছাড়া ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
চলুন জেনে নিই ফ্রিজ ছাড়াও যেভাবে ডিম অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।
মাটির পাত্র ব্যবহার করুন
গরমকালে অনেকেই মাটির কলসির পানি পান করতে পছন্দ করেন। এটি শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয় মনকেও তৃপ্তি দেয়। তবে পুরোনো মাটির পাত্র থাকলে তা ফেলে দেবেন না বরং ডিম রাখতে ব্যবহার করুন। এটি ডিমগুলোকে একমাস রাখার জন্য নিরাপদ এবং তাজা রাখবে। কলসির মধ্যে বা মাটির পাত্রের মধ্যে ডিম রেখে দিন। একটি ভেজা কাপড় দিয়ে পাত্রের বাইরের অংশ মোড়ানোর চেষ্টা করুন। এ ছাড়া চাইলে একটি পাটের কাপড় ভিজিয়ে মুড়েও রাখতে পারেন। এবার পাত্রটিকে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন
লবণ ব্যবহার করুন
যদি এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহের জন্য ডিম সংরক্ষণ করতে চান তবে আপনি লবণ ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য একটি বড় বাক্সে লবণের পাতলা স্তর বিছিয়ে তারপর ওপরে ডিম রেখে দিন। ডিমের ওপরে আবার লবণের একটি স্তর ছড়িয়ে দিন এবং পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করুন। প্রতি দুই বা তিন দিন পরপর বক্স খুলে চেক করতে থাকুন অথবা ডিমের স্থান পরিবর্তন করতে থাকুন। এটি ডিমগুলোকে এক বা দুই সপ্তাহের জন্য তাজা এবং নিরাপদ রাখবে।
কাদামাটি ব্যবহার করুন
অনেকে মাসের পর মাস ফ্রিজে ডিম সংরক্ষণ করেন, এতে পুষ্টিগুণ কমে যায়। এক বা দুই সপ্তাহের বেশি ডিম সংরক্ষণ করবেন না, এটি তাদের পুষ্টি হ্রাস করে। একই সময়ে, আপনি ডিম তাজা রাখতে মাটি ব্যবহার করতে পারেন। একটি বড় ঝুড়িতে একটি পাটের বস্তা ভিজিয়ে তার ওপরে একটু ভেজা মাটি দিন। এবার ডিমটি যেভাবে ট্রেতে রাখা হয় সেভাবে ডিম রাখুন। এখন এই ঝুড়িটি বাতাসযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
বাতাস চলাচল করে সঠিকভাবে এমন জায়গায় রাখুন
যদি ফ্রিজ না থাকে তবে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে দেখুন। ডিম যেকোনো বায়ুচলাচল স্থানে রেখে এক সপ্তাহ নিরাপদ ও তাজা রাখা যায়। এর জন্য আপনার ফ্রিজের প্রয়োজন হবে না, তবে এটি রাখার সময় মনে রাখবেন সূর্যের আলো যেন সেখানে না পড়ে। আপনি এটিকে যেকোনো পাত্রে রাখতে পারেন এবং এটি একটি ঠান্ডা জায়গায় রাখতে পারেন। এক সপ্তাহের জন্য তাজা রাখবে এবং প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: এবিপিলাইভ
আমাদের প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস ডিম। যাদের বাড়িতে ফ্রিজ নেই, তাদের ডিম সংরক্ষণে অনেক অসুবিধা হয়। রেফ্রিজারেটর ছাড়া ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
চলুন জেনে নিই ফ্রিজ ছাড়াও যেভাবে ডিম অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।
মাটির পাত্র ব্যবহার করুন
গরমকালে অনেকেই মাটির কলসির পানি পান করতে পছন্দ করেন। এটি শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয় মনকেও তৃপ্তি দেয়। তবে পুরোনো মাটির পাত্র থাকলে তা ফেলে দেবেন না বরং ডিম রাখতে ব্যবহার করুন। এটি ডিমগুলোকে একমাস রাখার জন্য নিরাপদ এবং তাজা রাখবে। কলসির মধ্যে বা মাটির পাত্রের মধ্যে ডিম রেখে দিন। একটি ভেজা কাপড় দিয়ে পাত্রের বাইরের অংশ মোড়ানোর চেষ্টা করুন। এ ছাড়া চাইলে একটি পাটের কাপড় ভিজিয়ে মুড়েও রাখতে পারেন। এবার পাত্রটিকে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন
লবণ ব্যবহার করুন
যদি এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহের জন্য ডিম সংরক্ষণ করতে চান তবে আপনি লবণ ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য একটি বড় বাক্সে লবণের পাতলা স্তর বিছিয়ে তারপর ওপরে ডিম রেখে দিন। ডিমের ওপরে আবার লবণের একটি স্তর ছড়িয়ে দিন এবং পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করুন। প্রতি দুই বা তিন দিন পরপর বক্স খুলে চেক করতে থাকুন অথবা ডিমের স্থান পরিবর্তন করতে থাকুন। এটি ডিমগুলোকে এক বা দুই সপ্তাহের জন্য তাজা এবং নিরাপদ রাখবে।
কাদামাটি ব্যবহার করুন
অনেকে মাসের পর মাস ফ্রিজে ডিম সংরক্ষণ করেন, এতে পুষ্টিগুণ কমে যায়। এক বা দুই সপ্তাহের বেশি ডিম সংরক্ষণ করবেন না, এটি তাদের পুষ্টি হ্রাস করে। একই সময়ে, আপনি ডিম তাজা রাখতে মাটি ব্যবহার করতে পারেন। একটি বড় ঝুড়িতে একটি পাটের বস্তা ভিজিয়ে তার ওপরে একটু ভেজা মাটি দিন। এবার ডিমটি যেভাবে ট্রেতে রাখা হয় সেভাবে ডিম রাখুন। এখন এই ঝুড়িটি বাতাসযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
বাতাস চলাচল করে সঠিকভাবে এমন জায়গায় রাখুন
যদি ফ্রিজ না থাকে তবে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে দেখুন। ডিম যেকোনো বায়ুচলাচল স্থানে রেখে এক সপ্তাহ নিরাপদ ও তাজা রাখা যায়। এর জন্য আপনার ফ্রিজের প্রয়োজন হবে না, তবে এটি রাখার সময় মনে রাখবেন সূর্যের আলো যেন সেখানে না পড়ে। আপনি এটিকে যেকোনো পাত্রে রাখতে পারেন এবং এটি একটি ঠান্ডা জায়গায় রাখতে পারেন। এক সপ্তাহের জন্য তাজা রাখবে এবং প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: এবিপিলাইভ
পেনশন কর্মসূচি বা স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হলে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন একজন চাঁদাদাতা। যদিও প্রবাসী বাংলাদেশি ও পোশাক খাতের কর্মীদের জন্য ৪০ বছর বয়স পার হলেই পেনশন দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
১০ দিন আগে