logo
জেনে নিন

আকাশ ও জলপথে আগত যাত্রীর শুল্ক ও কর সুবিধা

(*অপর্যটক যাত্রী [Non-Tourist])

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Copied!
আকাশ ও জলপথে আগত যাত্রীর শুল্ক ও কর সুবিধা
শুল্ক ও কর সুবিধা

১. আকাশ বা জলপথে আসা ১২ (বারো) বছর বা তদূর্ধ বয়সের যাত্রীর সঙ্গে আনা হাতব্যাগ, কেবিনব্যাগ বা অন্য উপায়ে আনা মোট ৬৫ (পঁয়ষট্টি) কেজি ওজনের বেশি নয় এমন ব্যাগেজ* সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়া খালাসযোগ্য হবে।

(*ব্যাগেজ অর্থ কোনো যাত্রী কর্তৃক সঙ্গে আনা যুক্তিসঙ্গত পরিমাণের খাদ্যদ্রব্য, পোশাক, গৃহস্থালি বা অন্য ব্যক্তিগত সামগ্রী, যার প্রতিটি আইটেমের ওজন ১৫ [পনেরো] কেজির বেশি নয়)

২. উপ-বিধি (১)–এ উল্লিখিত ব্যাগেজের অতিরিক্ত অনূর্ধ ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) কেজি ওজনের আনা পরিধেয় বস্ত্র, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী, বই, সাময়িকী এবং পড়াশোনার সামগ্রী সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়া খালাসযোগ্য হবে।

৩. ১২ (বারো) বছরের কম বয়সী যাত্রীর ক্ষেত্রে অনধিক ৪০ (চল্লিশ) কেজি ওজনের একটি কার্টন, ব্যাগ বা অন্য উপায়ে আনা ব্যক্তিগত ব্যাগেজ সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়া খালাসযোগ্য হবে। তবে বর্ণিত এই সুবিধা ব্যতীত অন্য কোনো ধরনের সুবিধা ১২ (বারো) বছরের কম বয়সী যাত্রী প্রাপ্য হবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, সোনার বার/সোনার পিণ্ড/রূপার বার/ রূপার পিণ্ড, মদ বা মদ জাতীয় পানীয় এবং সোনার অলংকার*/রূপার অলংকার/ ১ কার্টন (২০০ শলা) সিগারেট সঙ্গে আনার সুবিধা ১২ (বারো) বছরের কম বয়সী যাত্রীর জন্য প্রযোজ্য হবে না।

(*সোনার অলংকার অর্থ ২২ [বাইশ ক্যারেট] বা তার নিচের ক্যারেট দিয়ে বানানো নকশাখচিত ও পরিধানযোগ্য অলংকার)

৪. সঙ্গে না নিয়ে আসা (আন-অ্যাকোমপানিড) ব্যাগেজের ক্ষেত্রে তফসিল ১–এ বিধৃত ফরমে ঘোষণা প্রদান ও আমদানির সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে এবং আমদানি নীতি আদেশের শর্ত পূরণ করে সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ সাপক্ষে খালাস করা যাবে।

তবে শর্ত থাকে যে, সঙ্গে না নিয়ে আসা (আন-অ্যাকোমপানিড) ব্যাগেজ খালাসের সময় তফসিল ১–এ বর্ণিত ব্যাগেজ ঘোষণাপত্রের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে।

আরও শর্ত থাকে যে, যাত্রীর সঙ্গে বুক করা ব্যাগেজ কোনো কারণে যাত্রীর সঙ্গে না এলে ওই ব্যাগেজ এমনভাবে খালাস করা হবে, যেন ওই ব্যাগেজ যাত্রীর সঙ্গে আনা হয়েছে।

৫. এই বিধিতে ভিন্নরূপ যাই থাক না কেন, একজন যাত্রী তফসিল ৩–এ উল্লিখিত পণ্যের প্রত্যেকটির একটি করে পণ্য সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়া এবং তফসিল ২–এ উল্লিথিত পণ্যের প্রত্যেকটির একটি করে পণ্য ওই তফসিলে উল্লিখিত শুল্ক ও কর পরিশোধ সাপেক্ষে আনতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ২টি (দুই) ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কোনো শুল্ক ও কর ছাড়া আনতে পারবেন এবং তফসিল ২ অনুযায়ী শুল্ক ও কর পরিশোধ সাপেক্ষে একটি ১টি (এক) নতুন মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। তবে এর অতিরিক্ত আনলে এ ক্ষেত্রে বিধি ১০ ও অন্য প্রচলিত বিধি বিধান প্রযোজ্য হবে।

৬. বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী কোনো যাত্রী মদ বা মদ–জাতীয় পানীয় সঙ্গে আনতে পারবেন না।

৭. কোনো যাত্রী তফসিল ২ ও তফসিল ৩–এ উল্লিখিত পণ্য বিদেশ থেকে সঙ্গে না এনে থাকলে, ওই পণ্য তফসিল ৪–এ বিধৃত ফরমে উল্লেখ করে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সিটি সেলস সেন্টার থেকে তাঁর আসার ৭ (সাত কার্যদিবসের মধ্যে ক্রয় করতে পারবেন।

৮. একজন যাত্রী তাঁর পেশাগত কাজে ব্যবহার্য এবং সহজে বহনযোগ্য যন্ত্রপাতি সকল প্রকার শুল্ক ও পরিশোধ ছাড়া সঙ্গে আনতে পারবেন।

৯. একজন যাত্রী বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় ঘোষণা প্রদানের মাধ্যমে অনধিক ১১৭ (এক শ সতেরো) গ্রাম বা ১০ (দশ) তোলা ওজনের সোনার বার বা সোনার পিণ্ড অথবা ২৩৪ (দুই শ চৌত্রিশ) গ্রাস ওজনের রূপার বার বা রূপার পিণ্ড সকল প্রকার শুল্ক* ও কর পরিশোধ সাপেক্ষে সঙ্গে আনতে পারবেন।

(*প্রতি ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রামের জন্য চার হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। সেই হিসাবে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার আনতে ৪০ হাজার টাকা শুল্ক কর দিতে হবে)

তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত পরিমাণের অতিরিক্ত যেকোনো সোনার বার বা সোনার পিণ্ড অথবা রূপার বার বা রূপার পিণ্ড সঙ্গে আনলে বা যোকোনো পরিমাণ সোনার বার বা সোনার পিণ্ড অথবা রূপার বার বা রূপার পিণ্ড লুকিয়ে বা লুকানো অবস্থায় আনলে তা আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হবে।

(সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রজ্ঞাপন, ২৯ মে ২০২৪, এসআরও নম্বর ২০৩-আইন/২০২৪/৫৫/কাস্টমস।)

আরও পড়ুন

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার কিডনি ভালোভাবে কাজ করছে না

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার কিডনি ভালোভাবে কাজ করছে না

কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা

৯ দিন আগে

গরমে বিদ্যুৎ বিল কমাতে যা করবেন

গরমে বিদ্যুৎ বিল কমাতে যা করবেন

গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।

১০ দিন আগে

ঘন ঘন হাই তুলছেন, কঠিন কোনো রোগে পড়েননি তো?

ঘন ঘন হাই তুলছেন, কঠিন কোনো রোগে পড়েননি তো?

পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্‌রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

১১ দিন আগে