
বিডিজেন ডেস্ক

২০১৯ সাল থেকে সৌদি আরব সরকার নিয়মিত আয়োজন করে আসছে ‘রিয়াদ সিজন’। বিনোদন, সংস্কৃতি, খেলাসহ নানা আয়োজনে অংশ নিতে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনোদনপ্রেমীরা জড়ো হন রিয়াদে। বাংলাদেশও অংশ নেয় এই আয়োজনে।
এবার দেশটির দাম্মাম শহরে সুদান, ভারত, ফিলিপাইনস ও বাংলাদেশকে নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে ‘পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামের আয়োজন।
দাম্মামের আল খোবার আল ইসকান পার্কে ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এই আয়োজন। প্রতিটি দেশ ৪ দিন করে নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরছে এতে। আয়োজনে ৩০ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত অংশ নেবে বাংলাদেশ। কারুশৈলী প্রদর্শনী, দেশীয় খাবার, শিশুদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন, কর্মশালাসহ থাকছে বাংলাদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে কনসার্টের আয়োজন।
পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ পর্বের কনসার্টে প্রথম দিন গাইবেন সংগীতশিল্পী কনা, আকাশ মাহমুদ, শিল্পী আক্তার রিয়া ও ডিজে সাফা। দ্বিতীয় দিন আগামী ১ মে গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল, মুহাম্মদ মিলন, আয়শা জেবিন দিপা ও ডিজে সাফা।
উৎসবের তৃতীয় দিন প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমসের পরিবেশনা। এ দিন তাঁর সঙ্গে আরও গাইবেন বিউটি খান, আকাশ মাহমুদ, শিল্পী আক্তার রিয়া ও ডিজে সাফা। সবশেষ গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত রিয়াদ সিজনেও গেয়েছিলেন জেমস। আল-সুওয়াইদি পার্কে জেমসের গান শোনার জন্য দুপুর থেকেই লাইন ধরে ভেন্যুতে প্রবেশ করেছেন প্রবাসীরা। শুধু রিয়াদ নয়, দেশটির বিভিন্ন শহরে থাকা বাংলাদেশিরাও ভিড় করেছিলেন কনসার্ট উপভোগ করার জন্য।
শেষ দিন ৩ মে গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী মিলা, আরমান আলিফ, বিউটি খান ও ডিজে সাফা। ইতিমধ্যে কনসার্টের খবর জানিয়ে শ্রোতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন শিল্পীরা। এক ভিডিও বার্তায় ইমরান মাহমুদুল বলেন, ‘সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী ভাই ও বোনেরা আমি আসছি ১ মে দাম্মামের আল ইসকান পার্কে। সবার সঙ্গে দেখা হবে, গান হবে এবং অনেক ফান হবে। আমি পারফর্ম করব বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। সবার পছন্দের গানের সঙ্গে সুন্দর কিছু সময় কাটবে।’ অন্য শিল্পীরাও ভিডিও বার্তায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।

২০১৯ সাল থেকে সৌদি আরব সরকার নিয়মিত আয়োজন করে আসছে ‘রিয়াদ সিজন’। বিনোদন, সংস্কৃতি, খেলাসহ নানা আয়োজনে অংশ নিতে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনোদনপ্রেমীরা জড়ো হন রিয়াদে। বাংলাদেশও অংশ নেয় এই আয়োজনে।
এবার দেশটির দাম্মাম শহরে সুদান, ভারত, ফিলিপাইনস ও বাংলাদেশকে নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে ‘পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামের আয়োজন।
দাম্মামের আল খোবার আল ইসকান পার্কে ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এই আয়োজন। প্রতিটি দেশ ৪ দিন করে নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরছে এতে। আয়োজনে ৩০ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত অংশ নেবে বাংলাদেশ। কারুশৈলী প্রদর্শনী, দেশীয় খাবার, শিশুদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন, কর্মশালাসহ থাকছে বাংলাদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে কনসার্টের আয়োজন।
পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ পর্বের কনসার্টে প্রথম দিন গাইবেন সংগীতশিল্পী কনা, আকাশ মাহমুদ, শিল্পী আক্তার রিয়া ও ডিজে সাফা। দ্বিতীয় দিন আগামী ১ মে গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল, মুহাম্মদ মিলন, আয়শা জেবিন দিপা ও ডিজে সাফা।
উৎসবের তৃতীয় দিন প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমসের পরিবেশনা। এ দিন তাঁর সঙ্গে আরও গাইবেন বিউটি খান, আকাশ মাহমুদ, শিল্পী আক্তার রিয়া ও ডিজে সাফা। সবশেষ গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত রিয়াদ সিজনেও গেয়েছিলেন জেমস। আল-সুওয়াইদি পার্কে জেমসের গান শোনার জন্য দুপুর থেকেই লাইন ধরে ভেন্যুতে প্রবেশ করেছেন প্রবাসীরা। শুধু রিয়াদ নয়, দেশটির বিভিন্ন শহরে থাকা বাংলাদেশিরাও ভিড় করেছিলেন কনসার্ট উপভোগ করার জন্য।
শেষ দিন ৩ মে গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী মিলা, আরমান আলিফ, বিউটি খান ও ডিজে সাফা। ইতিমধ্যে কনসার্টের খবর জানিয়ে শ্রোতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন শিল্পীরা। এক ভিডিও বার্তায় ইমরান মাহমুদুল বলেন, ‘সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী ভাই ও বোনেরা আমি আসছি ১ মে দাম্মামের আল ইসকান পার্কে। সবার সঙ্গে দেখা হবে, গান হবে এবং অনেক ফান হবে। আমি পারফর্ম করব বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। সবার পছন্দের গানের সঙ্গে সুন্দর কিছু সময় কাটবে।’ অন্য শিল্পীরাও ভিডিও বার্তায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।