
বিডিজেন ডেস্ক

ইউরোপের দেশ পর্তুগালে এক বছরে ১০ হাজার ৭৭ জন বাংলাদেশি বসবাসের অনুমতি বা রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন। এই সংখ্যা এশিয়া দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
প্রথম অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির ১২ হাজার ১৮৫ জন নাগরিক রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন।
২০২৩ সালে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন ব্রাজিলের নাগরিকেরা। দেশটির ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৬২ জন নাগরিক কার্ড পেয়েছেন।
বিশ্বের সবগুলো দেশের হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বাংলাদেশের ঠিক পরেই রয়েছে ইতালি, নেপাল ও যুক্তরাজ্য।
২০২৩ সালের অভিবাসন রিপোর্ট অনুযায়ী, পর্তুগালে বর্তমানে ১০ লাখ ৪৪ হাজার ২৩৮ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন। এই সংখ্যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি।
২০২২ সালের তুলনায় দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
পর্তুগালের অভিবাসন সংস্থার রিপোর্টে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বসবাস অনুমতি বা রেসিডেন্ট কার্ড নিয়ে দেশটিতে বসবাস করছেন ২৫ হাজার ৬৬৬ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে পুরুষ ২০ হাজার ৩৯৫ জন এবং নারী ৫ হাজার ২৭১ জন।
পর্তুগালে অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশির সংখ্যা এখনো নেহাত কম নয়। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির অভিবাসন সংস্থা আইমার আবেদন প্রসেস সম্পন্নের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আরও প্রায় ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

ইউরোপের দেশ পর্তুগালে এক বছরে ১০ হাজার ৭৭ জন বাংলাদেশি বসবাসের অনুমতি বা রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন। এই সংখ্যা এশিয়া দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
প্রথম অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির ১২ হাজার ১৮৫ জন নাগরিক রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন।
২০২৩ সালে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন ব্রাজিলের নাগরিকেরা। দেশটির ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৬২ জন নাগরিক কার্ড পেয়েছেন।
বিশ্বের সবগুলো দেশের হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বাংলাদেশের ঠিক পরেই রয়েছে ইতালি, নেপাল ও যুক্তরাজ্য।
২০২৩ সালের অভিবাসন রিপোর্ট অনুযায়ী, পর্তুগালে বর্তমানে ১০ লাখ ৪৪ হাজার ২৩৮ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন। এই সংখ্যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি।
২০২২ সালের তুলনায় দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
পর্তুগালের অভিবাসন সংস্থার রিপোর্টে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বসবাস অনুমতি বা রেসিডেন্ট কার্ড নিয়ে দেশটিতে বসবাস করছেন ২৫ হাজার ৬৬৬ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে পুরুষ ২০ হাজার ৩৯৫ জন এবং নারী ৫ হাজার ২৭১ জন।
পর্তুগালে অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশির সংখ্যা এখনো নেহাত কম নয়। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির অভিবাসন সংস্থা আইমার আবেদন প্রসেস সম্পন্নের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আরও প্রায় ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
কেবল দেশে নয়, এই উৎসব উদ্যাপনে পিছিয়ে নেই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। জীবিকার তাগিদে পরবাসে যেখানেই বাঙালির বসবাস, সেখানেই বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর-‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...।’
পুরো আয়োজনটিতে ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া। চিশতী পরিবারের সকলেই উপস্থিত অতিথিদের খোঁজ–খবর নেন পুরো আয়োজনজুড়ে। জন্মদিনের ষোলো ছুঁয়ে যাওয়া রাজকন্যাটির ‘আয় খুকু আয়’ গানটির সাথে বাবাকে নিয়ে পরিবেশনা এক অন্য মাত্রা যোগ করে ধোঁয়া ও আলোকের ঝরনাধারার মাঝে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীরা রাউন্ডটেবিলে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডার তুতসি গণহত্যার মতো ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়কে স্মরণে রাখা, ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করে তোলার প্রয়োজনীয়তা।
ডলি বেগম লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কনজারভেটিভ পার্টির ডায়ানা ফিলিপোভাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এর আগে তিনি একই এলাকা থেকে অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিপি) এবং প্রাদেশিক এনডিপি দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।