বিডিজেন ডেস্ক
ইউরোপে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য সুইডেন অন্যতম। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে। সুইডেনের বেশির ভাগ ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন স্কলারশিপ দিয়ে থাকে, যা আপনাকে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুইডিশ ইনস্টিটিউট (এসআই) স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য প্রতি বছর ৭০০টির বেশি স্কলারশিপ দেয়।
বাংলাদেশসহ ৩২টি দেশের নাগরিক সুইডিশ ইনস্টিটিউট স্কলারশিপ ফর গ্লোবাল প্রফেশনাল (এসআই স্কলারশিপ) নামের এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য আইইএলটিএসের প্রয়োজন নেই।
চলতি শিক্ষাবর্ষের আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
জীবনযাত্রার খরচের জন্য শিক্ষার্থীদের মাসে ১২ হাজার সুইডিস ক্রোনার দেওয়া হবে। ভ্রমণের জন্য ১৫ হাজার সুইডিশ ক্রোনা অনুদান দেবে তারা। স্বাস্থ্য বিমা প্রদান করা হবে। এসআই নেটওয়ার্ক ফর ফিউচার গ্লোবাল প্রফেশনালসের মেম্বারশিপ ও এসআই অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের মেম্বারশিপ প্রদান করবে, যা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গঠনের সুযোগ করে দেবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। তিন হাজার কর্মঘণ্টা কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (ফুলটাইম প্রায় দেড় বছর কাজের অভিজ্ঞতার সমতুল্য)। সিভি, মোটিভেশন, রেফারেন্স ইত্যাদির কনটেন্ট ও প্রেজেন্টেশন হতে হবে প্রথম শ্রেণির।
স্নাতকোত্তরের যে প্রোগ্রামে আবেদন করবেন তা অবশ্যই এসআই স্কলারশিপের যোগ্য হতে হবে। একটি সুইডিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর মধ্যে একটি অফার লেটার পেতে হবে।
আগে সুইডিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের কোনো ডিগ্রি নেওয়া থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহী প্রার্থীদের সুইডিশ ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট থেকে এসআই স্কলারশিপের বিস্তারিত তথ্য জেনে একই লিংক থেকে সিভি, লেটারস অব রেফারেন্স এবং কাজের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রমাণপত্রের নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করতে হবে।
সাধারণত প্রতি বছরের শুরুতে আবেদন আহ্বান করা হয়। এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। শেষ সময় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
ইউরোপে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য সুইডেন অন্যতম। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে। সুইডেনের বেশির ভাগ ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন স্কলারশিপ দিয়ে থাকে, যা আপনাকে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুইডিশ ইনস্টিটিউট (এসআই) স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য প্রতি বছর ৭০০টির বেশি স্কলারশিপ দেয়।
বাংলাদেশসহ ৩২টি দেশের নাগরিক সুইডিশ ইনস্টিটিউট স্কলারশিপ ফর গ্লোবাল প্রফেশনাল (এসআই স্কলারশিপ) নামের এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য আইইএলটিএসের প্রয়োজন নেই।
চলতি শিক্ষাবর্ষের আবেদনের শেষ সময় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
জীবনযাত্রার খরচের জন্য শিক্ষার্থীদের মাসে ১২ হাজার সুইডিস ক্রোনার দেওয়া হবে। ভ্রমণের জন্য ১৫ হাজার সুইডিশ ক্রোনা অনুদান দেবে তারা। স্বাস্থ্য বিমা প্রদান করা হবে। এসআই নেটওয়ার্ক ফর ফিউচার গ্লোবাল প্রফেশনালসের মেম্বারশিপ ও এসআই অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের মেম্বারশিপ প্রদান করবে, যা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গঠনের সুযোগ করে দেবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। তিন হাজার কর্মঘণ্টা কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (ফুলটাইম প্রায় দেড় বছর কাজের অভিজ্ঞতার সমতুল্য)। সিভি, মোটিভেশন, রেফারেন্স ইত্যাদির কনটেন্ট ও প্রেজেন্টেশন হতে হবে প্রথম শ্রেণির।
স্নাতকোত্তরের যে প্রোগ্রামে আবেদন করবেন তা অবশ্যই এসআই স্কলারশিপের যোগ্য হতে হবে। একটি সুইডিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর মধ্যে একটি অফার লেটার পেতে হবে।
আগে সুইডিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের কোনো ডিগ্রি নেওয়া থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহী প্রার্থীদের সুইডিশ ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট থেকে এসআই স্কলারশিপের বিস্তারিত তথ্য জেনে একই লিংক থেকে সিভি, লেটারস অব রেফারেন্স এবং কাজের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রমাণপত্রের নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করতে হবে।
সাধারণত প্রতি বছরের শুরুতে আবেদন আহ্বান করা হয়। এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। শেষ সময় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।