বিডিজেন ডেস্ক
প্রতি বছরই বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষার্থীদের ফেলোশিপের মাধ্যমে গবেষণার সুযোগ দিয়ে আসছে দারিদ্র্য বিমোচনের ফলে সংঘটিত অসমতা দূরীকরণে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফাম বাংলাদেশ। বিভিন্ন খাতে গবেষণা করার জন্য ফেলোশিপ প্রদান করে তারা। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ করা যায়।
সংস্থাটি দুর্যোগ স্থিতিস্থাপকতা গবেষণার জন্য সম্প্রতি ফেলোশিপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
শীর্ষ ৫ ফেলোকে তাদের নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনুদান প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে গবেষণার সব খরচ দেবে অক্সফাম। এ ছাড়া নির্বাচিত গবেষণা নিবন্ধগুলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করবে সংস্থাটি।
ফুড সিকিউরিটি/এগ্রিকালচার, ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ন্যাচারাল রিসোর্স কনসারভেশন, ভের্নাকুলার আর্কিটেকচারাল প্রাক্টিসেস ফর ডিজেস্টার রেসিলিয়েন্স বিষয়ে ফেলোশিপ পাবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
ভূগোল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, জার্নালিজম, আর্কিটেকচার, আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং, জেন্ডার স্টাডিস বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে পড়া থাকলে আবেদন করতে পারবেন। সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। গবেষণা প্রস্তাবনা ও প্রতিবেদন লেখায় ও উপস্থাপনায় দক্ষ হতে হবে।
আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত, একটি মোটিভেশনাল লেটার, সর্বোচ্চ ১,৫০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রস্তাবনা লাগবে। প্রস্তাবনায় আবেদনকারী Terms of Reference (ToR)-এর ভিত্তিতে একটি বিষয় নির্বাচন করবেন এবং সেই বিষয়ের ওপর সমস্যার বিবৃতি, সমাধান, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছর বিভিন্ন সময়ে এই আবেদন আহ্বান করা হয়। এই ফেলোশিপে আবেদন আহ্বান করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। আবেদনের যোগ্যতা, আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয় ওয়েবসাইটে নতুন করে দেওয়া হয়।
এ বছর আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ১১ নভেম্বর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
প্রতি বছরই বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষার্থীদের ফেলোশিপের মাধ্যমে গবেষণার সুযোগ দিয়ে আসছে দারিদ্র্য বিমোচনের ফলে সংঘটিত অসমতা দূরীকরণে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফাম বাংলাদেশ। বিভিন্ন খাতে গবেষণা করার জন্য ফেলোশিপ প্রদান করে তারা। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ করা যায়।
সংস্থাটি দুর্যোগ স্থিতিস্থাপকতা গবেষণার জন্য সম্প্রতি ফেলোশিপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
শীর্ষ ৫ ফেলোকে তাদের নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনুদান প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে গবেষণার সব খরচ দেবে অক্সফাম। এ ছাড়া নির্বাচিত গবেষণা নিবন্ধগুলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করবে সংস্থাটি।
ফুড সিকিউরিটি/এগ্রিকালচার, ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ন্যাচারাল রিসোর্স কনসারভেশন, ভের্নাকুলার আর্কিটেকচারাল প্রাক্টিসেস ফর ডিজেস্টার রেসিলিয়েন্স বিষয়ে ফেলোশিপ পাবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
ভূগোল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, জার্নালিজম, আর্কিটেকচার, আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং, জেন্ডার স্টাডিস বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে পড়া থাকলে আবেদন করতে পারবেন। সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। গবেষণা প্রস্তাবনা ও প্রতিবেদন লেখায় ও উপস্থাপনায় দক্ষ হতে হবে।
আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত, একটি মোটিভেশনাল লেটার, সর্বোচ্চ ১,৫০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রস্তাবনা লাগবে। প্রস্তাবনায় আবেদনকারী Terms of Reference (ToR)-এর ভিত্তিতে একটি বিষয় নির্বাচন করবেন এবং সেই বিষয়ের ওপর সমস্যার বিবৃতি, সমাধান, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছর বিভিন্ন সময়ে এই আবেদন আহ্বান করা হয়। এই ফেলোশিপে আবেদন আহ্বান করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। আবেদনের যোগ্যতা, আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয় ওয়েবসাইটে নতুন করে দেওয়া হয়।
এ বছর আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ১১ নভেম্বর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।