বিডিজেন ডেস্ক
বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় ৮ম নিউজিল্যান্ড। চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে দেশটি এখন শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে। তাই উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে নিউজিল্যান্ড দিন দিন আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নানা স্কলারশিপ দিয়ে থাকে নিউজিল্যান্ড সরকার ও দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। সে রকমই একটি বৃত্তি হলো টঙ্গারওয়া স্কলারশিপ। এর আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অধ্যয়নের জন্য স্কলারশিপ দেয় নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন।
২০২৫ সালের জন্য এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। শেষ তারিখ এ বছরের ১ নভেম্বর।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
ফ্যাকাল্টি অব হেলথ, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, এডুকেশন, ল, আর্কিটেকচার, বিজনেস, সোশ্যাল সায়েন্স ও গ্র্যাজুয়েট রিসার্চে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। স্নাতকের জন্য ১০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৪০ টাকা।
স্নাতকোত্তরের জন্য ৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লাখ ২৯ হাজার ৬২০ টাকা। আবাসন-সুবিধা দেওয়া হয়। স্টাইপেন্ডসহ বিভিন্ন ভাতা দেওয়া হয়।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আবেদনকারীকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। একাডেমিকে ফলাফল ভালো হতে হবে। ইংরেজি ভাষার দক্ষতা কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। ৫০০ শব্দের মধ্যে আপনি কেন ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে পড়াশোনা করতে চান, আপনার একাডেমিক লক্ষ্য কী, পড়াশোনা করে আপনি কী করতে চান এবং কেন আপনাকে এ স্কলারশিপটি দেওয়া হবে–এসব লিখতে হবে।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, রেকমেন্ডেশন লেটার, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, জাতীয় পরিচয়পত্র, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে ভর্তির আবেদনের কাগজ লাগবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
বছরে তিনবার এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যায়। ট্রাইমেস্টার-১-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ নভেম্বর, ট্রাইমেস্টার-২-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ মে, ট্রাইমেস্টার-৩-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ আগস্ট। অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
এর মধ্যে ট্রাইমেস্টার-১-এর আবেদনের শেষ তারিখ এ বছরের ১ নভেম্বর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় ৮ম নিউজিল্যান্ড। চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে দেশটি এখন শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে। তাই উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে নিউজিল্যান্ড দিন দিন আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নানা স্কলারশিপ দিয়ে থাকে নিউজিল্যান্ড সরকার ও দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। সে রকমই একটি বৃত্তি হলো টঙ্গারওয়া স্কলারশিপ। এর আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অধ্যয়নের জন্য স্কলারশিপ দেয় নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন।
২০২৫ সালের জন্য এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। শেষ তারিখ এ বছরের ১ নভেম্বর।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
ফ্যাকাল্টি অব হেলথ, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, এডুকেশন, ল, আর্কিটেকচার, বিজনেস, সোশ্যাল সায়েন্স ও গ্র্যাজুয়েট রিসার্চে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। স্নাতকের জন্য ১০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৪০ টাকা।
স্নাতকোত্তরের জন্য ৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লাখ ২৯ হাজার ৬২০ টাকা। আবাসন-সুবিধা দেওয়া হয়। স্টাইপেন্ডসহ বিভিন্ন ভাতা দেওয়া হয়।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আবেদনকারীকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। একাডেমিকে ফলাফল ভালো হতে হবে। ইংরেজি ভাষার দক্ষতা কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। ৫০০ শব্দের মধ্যে আপনি কেন ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে পড়াশোনা করতে চান, আপনার একাডেমিক লক্ষ্য কী, পড়াশোনা করে আপনি কী করতে চান এবং কেন আপনাকে এ স্কলারশিপটি দেওয়া হবে–এসব লিখতে হবে।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, রেকমেন্ডেশন লেটার, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, জাতীয় পরিচয়পত্র, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে ভর্তির আবেদনের কাগজ লাগবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
বছরে তিনবার এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যায়। ট্রাইমেস্টার-১-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ নভেম্বর, ট্রাইমেস্টার-২-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ মে, ট্রাইমেস্টার-৩-এর আবেদনের শেষ তারিখ ১ আগস্ট। অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
এর মধ্যে ট্রাইমেস্টার-১-এর আবেদনের শেষ তারিখ এ বছরের ১ নভেম্বর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।