বিডিজেন ডেস্ক
হাল আমলে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) হয়ে উঠেছে উচ্চশিক্ষায় অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। দেশটিতে অনেকেই উচ্চশিক্ষা নিয়ে পড়তে যান পরে ইউরোপ বা আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার সুবিধা নিতে। তবে দেশটি বেশ কিছু স্কলারশিপ দিয়ে থাকে প্রতি বছর। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয় দেশটির অন্যতম একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর এ বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি দিয়ে থাকে। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। দেওয়া হবে মাসিক উপবৃত্তি। আছে প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা। এ ছাড়া অতিরিক্ত বোনাস হিসেবে সুপারভাইজারের বাহ্যিক গবেষণা প্রকল্প থেকে ৩ হাজার দিরহাম (৯৭ হাজার ৬৭৩ টাকা) অথবা অভ্যন্তরীণ প্রকল্প থেকে ২ হাজার দিরহাম (৬৫ হাজার ১১৫ টাকা) দেওয়া হবে। পুরো অধ্যয়নেই এই সুযোগ পাবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আগ্রহী প্রার্থীদের অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতকের ফলাফলে ৪ সিজিপিএর মধ্যে ন্যূনতম ৩ থাকতে হবে। এ ছাড়া ইংরেজি ভাষার প্রয়োজনীয় দক্ষতাসহ আরও কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন রয়েছে।
ব্যবসায়িক বিশ্লেষণে মাস্টার্স, ব্যবসায় প্রশাসনে ডক্টরেট, মাস্টার্স অব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং, আর্কিটেকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তরসহ আরও অন্তত ৫০টির বেশি কোর্সে ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
অনলাইলে আবেদন করা যাবে। পাসপোর্টের অনুলিপি, বৈধ ভিসা, সব কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল সার্টিফিকেটের অনুলিপি, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা সনদ, আপডেট করা সিভি ও কর্মদক্ষতার সনদ থাকতে হবে।
সাধারণত বছরের শেষদিকে এই আবেদন করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে সময় উল্লেখ করা থাকে প্রতি বছর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
হাল আমলে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) হয়ে উঠেছে উচ্চশিক্ষায় অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। দেশটিতে অনেকেই উচ্চশিক্ষা নিয়ে পড়তে যান পরে ইউরোপ বা আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার সুবিধা নিতে। তবে দেশটি বেশ কিছু স্কলারশিপ দিয়ে থাকে প্রতি বছর। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয় দেশটির অন্যতম একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর এ বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি দিয়ে থাকে। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। দেওয়া হবে মাসিক উপবৃত্তি। আছে প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা। এ ছাড়া অতিরিক্ত বোনাস হিসেবে সুপারভাইজারের বাহ্যিক গবেষণা প্রকল্প থেকে ৩ হাজার দিরহাম (৯৭ হাজার ৬৭৩ টাকা) অথবা অভ্যন্তরীণ প্রকল্প থেকে ২ হাজার দিরহাম (৬৫ হাজার ১১৫ টাকা) দেওয়া হবে। পুরো অধ্যয়নেই এই সুযোগ পাবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আগ্রহী প্রার্থীদের অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতকের ফলাফলে ৪ সিজিপিএর মধ্যে ন্যূনতম ৩ থাকতে হবে। এ ছাড়া ইংরেজি ভাষার প্রয়োজনীয় দক্ষতাসহ আরও কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন রয়েছে।
ব্যবসায়িক বিশ্লেষণে মাস্টার্স, ব্যবসায় প্রশাসনে ডক্টরেট, মাস্টার্স অব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং, আর্কিটেকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তরসহ আরও অন্তত ৫০টির বেশি কোর্সে ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
অনলাইলে আবেদন করা যাবে। পাসপোর্টের অনুলিপি, বৈধ ভিসা, সব কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল সার্টিফিকেটের অনুলিপি, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা সনদ, আপডেট করা সিভি ও কর্মদক্ষতার সনদ থাকতে হবে।
সাধারণত বছরের শেষদিকে এই আবেদন করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে সময় উল্লেখ করা থাকে প্রতি বছর।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।