বিডিজেন ডেস্ক
দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে চাইলে অনেকের বেশ পছন্দ ইউরোপের কোনো দেশ। বেশিরভাগই যুক্তরাজ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান। কিন্তু দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার খরচ অনেক। এ কারণে সবাই খোঁজ করেন স্কলারশিপের।
তাদের কথা মাথায় রেখে প্রতি বছর বিভিন্ন কোর্সে উচ্চশিক্ষায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে অধ্যয়নের জন্য স্কলারশিপ দিয়ে থাকে যুক্তরাজ্য সরকার ও দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড স্কলারশিপ। এর আওতায় নির্বাচিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয়ে থাকে। আর পড়ার সুযোগ মিলবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড ফুল-টাইম বা খণ্ডকালীন স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দেয়। এর আওতায় ২০০টি সম্পূর্ণ অর্থায়িত স্নাতক বৃত্তি মিলবে।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এর আওতায় সম্পূর্ণ টিউশন ফি এবং কলেজ ফি কভার করা হবে। জীবনযাত্রার খরচের জন্য বার্ষিক অনুদান দেবে কর্তৃপক্ষ। খণ্ডকালীন কোর্সের জন্য আপনি একটি অধ্যয়ন সহায়তা অনুদান পাবেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে পারবেন। এ ছাড়া গবেষণায় সহায়তা মিলবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
এই বৃত্তি যুক্তরাজ্যের নাগরিকসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য উন্মুক্ত। যেকোনো জাতীয়তা, জাতি বা লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আপনাকে অবশ্যই আপনার পছন্দের কোর্সের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। এটি খুব প্রতিযোগিতামূলক স্কলারশিপ। তাই স্নাতকে ভালো ফলাফল ও ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।
কোর্সে প্রথমে ভর্তি হতে হবে। একাডেমিক বিভাগ আবেদনটি মূল্যায়ন করবে এবং সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত আবেদনকারীদের তালিকা ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কাছে পাঠানো হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের জানুয়ারি ও ডিসেম্বরে আবেদনের শেষ সময় থাকে। কোর্সভেদে বিভিন্ন সময় আবেদন করা যায়। আবেদন করতে হয় অনলাইনে। জানুয়ারি বা ডিসেম্বরের মধ্যে একবার আবেদন করলেই চলবে। এরপর আলাদা করে আবেদন করতে হবে না।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে চাইলে অনেকের বেশ পছন্দ ইউরোপের কোনো দেশ। বেশিরভাগই যুক্তরাজ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান। কিন্তু দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার খরচ অনেক। এ কারণে সবাই খোঁজ করেন স্কলারশিপের।
তাদের কথা মাথায় রেখে প্রতি বছর বিভিন্ন কোর্সে উচ্চশিক্ষায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে অধ্যয়নের জন্য স্কলারশিপ দিয়ে থাকে যুক্তরাজ্য সরকার ও দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড স্কলারশিপ। এর আওতায় নির্বাচিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয়ে থাকে। আর পড়ার সুযোগ মিলবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড ফুল-টাইম বা খণ্ডকালীন স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দেয়। এর আওতায় ২০০টি সম্পূর্ণ অর্থায়িত স্নাতক বৃত্তি মিলবে।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এর আওতায় সম্পূর্ণ টিউশন ফি এবং কলেজ ফি কভার করা হবে। জীবনযাত্রার খরচের জন্য বার্ষিক অনুদান দেবে কর্তৃপক্ষ। খণ্ডকালীন কোর্সের জন্য আপনি একটি অধ্যয়ন সহায়তা অনুদান পাবেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে পারবেন। এ ছাড়া গবেষণায় সহায়তা মিলবে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
এই বৃত্তি যুক্তরাজ্যের নাগরিকসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য উন্মুক্ত। যেকোনো জাতীয়তা, জাতি বা লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আপনাকে অবশ্যই আপনার পছন্দের কোর্সের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। এটি খুব প্রতিযোগিতামূলক স্কলারশিপ। তাই স্নাতকে ভালো ফলাফল ও ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।
কোর্সে প্রথমে ভর্তি হতে হবে। একাডেমিক বিভাগ আবেদনটি মূল্যায়ন করবে এবং সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত আবেদনকারীদের তালিকা ক্ল্যারেন্ডন ফান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কাছে পাঠানো হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের জানুয়ারি ও ডিসেম্বরে আবেদনের শেষ সময় থাকে। কোর্সভেদে বিভিন্ন সময় আবেদন করা যায়। আবেদন করতে হয় অনলাইনে। জানুয়ারি বা ডিসেম্বরের মধ্যে একবার আবেদন করলেই চলবে। এরপর আলাদা করে আবেদন করতে হবে না।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।