বিডিজেন ডেস্ক
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিয়ে থাকে থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় আপনি বিনা খরচে ফুল-টাইম মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রাম করতে পারবেন দেশটির এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এআইটি)। থাকছে আরও নানা সুবিধা।
এআইটি থাইল্যান্ডের ১ নম্বর ও এশিয়ার ১৪তম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। সারা বিশ্ব থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা রয়্যাল থাইল্যান্ড সরকারের বৃত্তি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
থাইল্যান্ড ও অন্যান্য এশীয় দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের চমৎকার একাডেমিক রেকর্ড রয়েছে তাদের রয়্যাল থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপে আবেদন করা উচিত। এতে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করে দেশটির সরকার।
এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করতে পারবেন ২০২৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
রয়্যাল থাই সরকারী বৃত্তি সম্পূর্ণ টিউশন ফি কভারেজ প্রদান করবে। বৃত্তি প্রাপকদের জন্য বিনামূল্যে বাসস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি স্কলারশিপের সময়কালের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করবে। গবেষণায় থাকছে বাড়তি কিছু সুবিধাও।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
থাইল্যান্ড ও অন্যান্য এশীয় দেশের শিক্ষার্থীরা থাইল্যান্ডে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ডক্টরাল প্রোগ্রামের জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই ভুটান, তিমুর-লেস্তে, আসিয়ান দেশ বা অন্যান্য এশিয়ান দেশগুলোর নাগরিক হতে হবে।
রয়্যাল থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপের জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই চমৎকার পূর্ববর্তী একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে। ডক্টরাল প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য তাদের অবশ্যই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। তাদের অবশ্যই ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫ বা তার বেশি থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ইংরেজি দক্ষতার স্কোর জমা দিতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের শেষদিকেই এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন শুরু হয়। আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে। সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। দিতে হবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট। আবেদন করার সময় ফি কত লাগবে তা জানিয়ে দেবে স্কলারশিপ কর্তৃপক্ষ।
মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য এ বছর আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করতে পারবেন ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিয়ে থাকে থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় আপনি বিনা খরচে ফুল-টাইম মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রাম করতে পারবেন দেশটির এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এআইটি)। থাকছে আরও নানা সুবিধা।
এআইটি থাইল্যান্ডের ১ নম্বর ও এশিয়ার ১৪তম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। সারা বিশ্ব থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা রয়্যাল থাইল্যান্ড সরকারের বৃত্তি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
থাইল্যান্ড ও অন্যান্য এশীয় দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের চমৎকার একাডেমিক রেকর্ড রয়েছে তাদের রয়্যাল থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপে আবেদন করা উচিত। এতে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করে দেশটির সরকার।
এ বছর এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করতে পারবেন ২০২৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
রয়্যাল থাই সরকারী বৃত্তি সম্পূর্ণ টিউশন ফি কভারেজ প্রদান করবে। বৃত্তি প্রাপকদের জন্য বিনামূল্যে বাসস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি স্কলারশিপের সময়কালের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করবে। গবেষণায় থাকছে বাড়তি কিছু সুবিধাও।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
থাইল্যান্ড ও অন্যান্য এশীয় দেশের শিক্ষার্থীরা থাইল্যান্ডে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ডক্টরাল প্রোগ্রামের জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই ভুটান, তিমুর-লেস্তে, আসিয়ান দেশ বা অন্যান্য এশিয়ান দেশগুলোর নাগরিক হতে হবে।
রয়্যাল থাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপের জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই চমৎকার পূর্ববর্তী একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে। ডক্টরাল প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য তাদের অবশ্যই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। তাদের অবশ্যই ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫ বা তার বেশি থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ইংরেজি দক্ষতার স্কোর জমা দিতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের শেষদিকেই এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন শুরু হয়। আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে। সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। দিতে হবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট। আবেদন করার সময় ফি কত লাগবে তা জানিয়ে দেবে স্কলারশিপ কর্তৃপক্ষ।
মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য এ বছর আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করতে পারবেন ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।