বিডিজেন ডেস্ক
দেশের বাইরে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গঠনের জন্য অন্যতম সেরা জায়গা যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। বিশ্বের প্রথম সারির অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এই যুক্তরাষ্ট্রে। এখানে শিক্ষা খাতে গবেষণা থেকে শুরু করে পরিবেশ, মান ও ফান্ডিং ভালো। এ জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথম দিকের পছন্দ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক স্কলারশিপ দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বিনা খরচে দেশটিতে পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক প্রোগ্রামে অধ্যয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি প্রতি বছর স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ট্রাস্টি স্কলারস প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এই স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এই স্কলারশিপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে।
আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
সম্পূর্ণ টিউশন ফিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বহন করবে। আবাসন ব্যবস্থা থাকলেও স্বাস্থ্য বীমা, বই, এয়ারলাইন টিকিট এবং বিবিধ খরচ বহন করা হবে। দেওয়া হবে থাকা–খাওয়ার সব খরচ। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা গবেষণাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভাতা পাবেন। থাকছে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
উচ্চমাধ্যমিক পাশ হতে হবে। একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে। ট্রাস্টি স্কলারশিপ প্রবন্ধ লিখতে হবে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে
ট্রাস্টি স্কলারশিপ প্রবন্ধ কী?
আবেদনের অংশ হিসেবে ৬০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ জমা দিতে হবে। নিচের দুটি বিষয়ের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে—
১. নোবেল বিজয়ী ও বিইউ প্রফেসর এলি উইজেল একবার বলেছিলেন, ‘শিক্ষার মধ্যে ঐশ্বরিক সৌন্দর্য রয়েছে; শেখার অর্থ হলো এই ধারণা গ্রহণ করা যে জীবন আমার জন্মের সময় শুরু হয়নি। অন্যরা আমার আগে এখানে এসেছে এবং আমি তাদের পদচিহ্নে হাঁটছি। আমি যেসব বই পড়েছি, সেগুলো পিতা-পুত্র, মাতা-কন্যা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দ্বারা রচিত হয়েছিল। আমি তাদের সব অভিজ্ঞতা ও অনুসন্ধানের সমষ্টি।’ এমন কোনো বই, চলচ্চিত্র, পডকাস্ট বা অভিজ্ঞতা আছে, যা আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত ইতিহাস/পরিচয়ের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করে এবং আপনি সেটা থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো জিনিস শিখেছেন। সেই বিষয় নিয়ে লিখতে হবে।
২. এমন একটি সময় বর্ণনা করুন, যখন আপনি আপনার স্বাচ্ছন্দ্যময় বিষয়ের (কমফোর্ট জোন) বাইরে অবস্থান করেছিলেন বা এমন কোনো পরিস্থিতি, যেখানে আপনি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। আপনি সেই মুহূর্তে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন এবং কীভাবে এটি আপনার ক্রিয়াকলাপকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা করেছে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় এই স্কলারশিপ। আবেদনের পরও কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়। আবেদন করা যায় অনলাইনে।
এই মুহূর্তে আবেদনের সুযোগ চলছে। আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে আবেদন।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
দেশের বাইরে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গঠনের জন্য অন্যতম সেরা জায়গা যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। বিশ্বের প্রথম সারির অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এই যুক্তরাষ্ট্রে। এখানে শিক্ষা খাতে গবেষণা থেকে শুরু করে পরিবেশ, মান ও ফান্ডিং ভালো। এ জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথম দিকের পছন্দ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক স্কলারশিপ দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বিনা খরচে দেশটিতে পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক প্রোগ্রামে অধ্যয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি প্রতি বছর স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ট্রাস্টি স্কলারস প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এই স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এই স্কলারশিপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে।
আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
সম্পূর্ণ টিউশন ফিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বহন করবে। আবাসন ব্যবস্থা থাকলেও স্বাস্থ্য বীমা, বই, এয়ারলাইন টিকিট এবং বিবিধ খরচ বহন করা হবে। দেওয়া হবে থাকা–খাওয়ার সব খরচ। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা গবেষণাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভাতা পাবেন। থাকছে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
উচ্চমাধ্যমিক পাশ হতে হবে। একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে। ট্রাস্টি স্কলারশিপ প্রবন্ধ লিখতে হবে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে
ট্রাস্টি স্কলারশিপ প্রবন্ধ কী?
আবেদনের অংশ হিসেবে ৬০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ জমা দিতে হবে। নিচের দুটি বিষয়ের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে—
১. নোবেল বিজয়ী ও বিইউ প্রফেসর এলি উইজেল একবার বলেছিলেন, ‘শিক্ষার মধ্যে ঐশ্বরিক সৌন্দর্য রয়েছে; শেখার অর্থ হলো এই ধারণা গ্রহণ করা যে জীবন আমার জন্মের সময় শুরু হয়নি। অন্যরা আমার আগে এখানে এসেছে এবং আমি তাদের পদচিহ্নে হাঁটছি। আমি যেসব বই পড়েছি, সেগুলো পিতা-পুত্র, মাতা-কন্যা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দ্বারা রচিত হয়েছিল। আমি তাদের সব অভিজ্ঞতা ও অনুসন্ধানের সমষ্টি।’ এমন কোনো বই, চলচ্চিত্র, পডকাস্ট বা অভিজ্ঞতা আছে, যা আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত ইতিহাস/পরিচয়ের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করে এবং আপনি সেটা থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো জিনিস শিখেছেন। সেই বিষয় নিয়ে লিখতে হবে।
২. এমন একটি সময় বর্ণনা করুন, যখন আপনি আপনার স্বাচ্ছন্দ্যময় বিষয়ের (কমফোর্ট জোন) বাইরে অবস্থান করেছিলেন বা এমন কোনো পরিস্থিতি, যেখানে আপনি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। আপনি সেই মুহূর্তে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন এবং কীভাবে এটি আপনার ক্রিয়াকলাপকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা করেছে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় এই স্কলারশিপ। আবেদনের পরও কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়। আবেদন করা যায় অনলাইনে।
এই মুহূর্তে আবেদনের সুযোগ চলছে। আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে আবেদন।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।